
রায়পুর, মার্চ ২৪: ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেব সায় বুধবার ‘দীনদয়াল উপাধ্যায় ভূমিহীন কৃষি শ্রমিক কল্যাণ প্রকল্প’ এর আওতায় প্রায় ৫০০ কোটি টাকা ৫,০০,০০০ ভূমিহীন কৃষি শ্রমিক পরিবারের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করবেন।
এই স্থানান্তর হবে বলোদাবাজার থেকে, যা গ্রামীণ সমাজের সবচেয়ে দুর্বল শ্রেণির জন্য সরকারের সহায়তা প্রদানের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এই প্রকল্পের মাধ্যমে, সরকার যোগ্য পরিবারের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সরাসরি ১০,০০০ টাকার বার্ষিক আর্থিক সহায়তা প্রদান করে।
রাজ্য সরকার তাদের ২০২৬-২৭ সালের বাজেটে ৬০০ কোটি টাকার প্রাবন্ধিকতা রেখেছে, যাতে নিশ্চিত করা যায় যে প্রয়োজনীয় পরিবারের সর্বাধিক সংখ্যায় সুবিধা পৌঁছায়। ৪,৯৫,০০০ এরও বেশি যোগ্য পরিবারের জন্য সরকার মোট ৪৯৫ কোটি ৯৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ করেছে। এই অর্থ সরাসরি বিতরণ করা হচ্ছে, যাতে মধ্যস্বত্বাধিকারীদের বাদ দেওয়া যায় এবং প্রতিটি উপকারভোগী সম্পূর্ণ অর্থ পায়।
এই প্রকল্পটি শুধুমাত্র কৃষি শ্রমিকদের জন্য নয়। এতে গ্রামীণ অর্থনীতির সাথে যুক্ত অন্যান্য ভূমিহীন পরিবারও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যেমন বনজ পণ্য সংগ্রহকারী, পশুপালক, বাড়ৈ, লোহার, মোচি, নায়ক এবং ধোবি।
এতে अनुसूचित क्षेत्रोंের পুজারী এবং ব্যাগা, গুনিয়া ও মাঝি সম্প্রদায়ের পরিবারও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। রাজ্যের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যগত ঐতিহ্যের রক্ষক হিসেবে ২২,০২৮ ব্যাগা ও গুনিয়া পরিবারকে বিশেষভাবে এই প্রকল্পের আওতায় আনা হয়েছে।
বার্ষিক সহায়তা পরিমাণ পূর্বের ৭,০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০,০০০ টাকা করা হয়েছে, যা শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা এবং দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজনীয়তা পূরণে বেশি সহায়ক হবে।
রায়পুর জেলায় উপকারভোগীদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি ৫৩,৩৩৮, এর পর বিলাসপুরে ৩৯,৪০১ এবং महासমুন্দে ৩৭,০১১ উপকারভোগী রয়েছে। সবচেয়ে কম সংখ্যা বিজাপুরে ১,৫৪২, কোরিয়ায় ১,৫৪৯ এবং নারায়ণপুরে ১,৮০৫ পরিবারের।
সকল উপকারভোগীদের জন্য ই-কেয়েসি যাচাইকরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে, যা সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা এবং সময়মতো অর্থ স্থানান্তর নিশ্চিত করেছে।
মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেব সায় স্পষ্ট করেছেন যে এই প্রকল্পের উদ্দেশ্য শুধুমাত্র আর্থিক সহায়তা দেওয়া নয়। এর লক্ষ্য ভূমিহীন পরিবারের আয় বাড়ানো, তাদের অর্থনৈতিকভাবে স্বনির্ভর করা এবং সামাজিক মূলধারায় একীভূত করা।














Leave a Reply