Bengal Daily Kiran

Latest Bengal News – Breaking News Today, Live News, World

ज्योतिर्मঠের চার গ্রামের জন্য ‘ভাইব্রেন্ট ভিলেজ’ প্রকল্পের দাবি

ज्योतिर्मঠের চার গ্রামের জন্য ‘ভাইব্রেন্ট ভিলেজ’ প্রকল্পের দাবি

নয়াদিল্লি, মার্চ ২৫: গড়ওয়াল লোকসভা সাংসদ অনিল বালুনি কেন্দ্রীয় গৃহ ও সমবায় মন্ত্রী অমিত শাহের সাথে সাক্ষাৎ করেছেন। এ সময় তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘ভাইব্রেন্ট ভিলেজ’ প্রকল্পে চামোলি জেলার জ্যোতির্মঠ উন্নয়ন ব্লকের কিছু গ্রামকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য একটি চিঠি প্রদান করেন।

অনিল বালুনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘এক্স’-এ পোস্ট করে লেখেন, “কেন্দ্রীয় গৃহ ও সমবায় মন্ত্রী অমিত শাহের সাথে সাক্ষাৎ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সীমান্ত গ্রামগুলিকে উন্নত ও সমৃদ্ধ করার পরিকল্পনা ‘ভাইব্রেন্ট ভিলেজ’ প্রকল্পে চামোলি জেলার জ্যোতির্মঠের জেলম, জুম্মা, কাগা গারপক এবং দ্রোণাগিরির মতো গ্রামগুলিকে অন্তর্ভুক্ত করার চিঠি প্রদান করেছি। গৃহমন্ত্রী এই বিষয়ে যথাযথ ও দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন।”

সাংসদ বালুনি চিঠির একটি কপি শেয়ার করেছেন, যেখানে বিস্তারিত দাবি উত্থাপন করা হয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে যে, নীতি উপত্যকার অনেক গ্রাম ইতিমধ্যেই ভাইব্রেন্ট ভিলেজ প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে, যা প্রশংসনীয় পদক্ষেপ। এই প্রকল্পের মাধ্যমে সীমান্ত অঞ্চলে অবকাঠামো উন্নয়ন, স্থানীয় নাগরিকদের জীবনমান উন্নয়ন এবং সামগ্রিক উন্নয়নের কাজ হচ্ছে।

তবে জ্যোতির্মঠ উন্নয়ন ব্লকের অন্তর্গত জেলম, জুম্মা, কাগা গারপক এবং দ্রোণাগিরির মতো গ্রামগুলি এখনও এই প্রকল্প থেকে বঞ্চিত। এসব গ্রামের বাসিন্দারা দীর্ঘ সময় ধরে এই দাবিটি করছেন। চিঠিতে অমিত শাহের কাছে বিনীতভাবে অনুরোধ করা হয়েছে যে, এসব গ্রামকেও প্রকল্পের আওতায় অন্তর্ভুক্ত করা হোক, যাতে এখানকার বাসিন্দারা উন্নয়নের সমান সুযোগ পেতে পারেন এবং প্রকল্পের পূর্ণ সুবিধা গ্রহণ করতে পারেন।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার কর্তৃক শুরু করা এই প্রকল্প মূলত ভারতের উত্তর সীমান্ত (এলএসি) সংলগ্ন গ্রামগুলির ব্যাপক উন্নয়নের জন্য। প্রকল্পের উদ্দেশ্য সীমান্ত অঞ্চলে সড়ক, বিদ্যুৎ, পানি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পর্যটন এবং জীবিকার সুযোগ বাড়িয়ে গ্রামগুলিকে স্বনির্ভর ও প্রাণবন্ত করা। এর ফলে স্থানীয় মানুষের জীবনমান উন্নত হবে এবং সীমান্ত নিরাপত্তাও শক্তিশালী হবে।

উত্তরাখণ্ডের চামোলি, উত্তরকাশী এবং রুদ্রপ্রয়াগের মতো অনেক সীমান্ত গ্রাম ইতিমধ্যেই এই প্রকল্পের আওতায় এসেছে। এখন জ্যোতির্মঠ অঞ্চলের উল্লিখিত গ্রামগুলিকে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি স্থানীয় স্তরে জোরালো হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *