
টোকিও, মার্চ ২৫: পশ্চিম এশিয়ার সংকটের কারণে বৈশ্বিক শক্তি বাজারে বেড়ে চলা অনিশ্চয়তার মধ্যে আন্তর্জাতিক শক্তি এজেন্সি (আইইএ) জানিয়েছে, প্রয়োজন হলে তারা তাদের অতিরিক্ত তেল রিজার্ভ ছাড়তে প্রস্তুত।
আইইএ-এর প্রধান ফাতিহ বিরোল বুধবার টোকিওতে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানে তাকাইচির সঙ্গে বৈঠকের পর বলেন, এজেন্সি বৈশ্বিক সরবরাহে সম্ভাব্য ঘাটতি মোকাবেলার জন্য সব ধরনের পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত। তিনি আরও জানান, দ্বিতীয় জরুরি তেল মুক্তির প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
এই মন্তব্য এমন সময়ে এসেছে যখন হরমুজ প্রণালীতে শিপিং নিয়ে অনিশ্চয়তা বেড়েছে, যা আন্তর্জাতিক বাজারে শক্তির দামের ওপর চাপ সৃষ্টি করছে এবং দীর্ঘমেয়াদী সরবরাহে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলছে।
জাপান, যা তার প্রায় ৯৫ শতাংশ তেল আমদানির জন্য মধ্যপ্রাচ্যের ওপর নির্ভরশীল, ইতোমধ্যে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সরকার প্রাইভেট সেক্টরের রিজার্ভ থেকে প্রায় ১৫ দিনের সরবরাহ ছাড়তে শুরু করেছে এবং ২৬ মার্চ থেকে সরকারি রিজার্ভ ব্যবহারের পরিকল্পনা করেছে।
প্রধানমন্ত্রী তাকাইচি আরও জানান, মার্চ ২০২৬ এর শেষের দিকে সৌদি আরব, ইউএই এবং কুয়েতের সাথে যৌথ রিজার্ভ থেকে তেল ছাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সাধারণ পরিস্থিতিতে এই রিজার্ভগুলি ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়, তবে জরুরি অবস্থায় শক্তি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় কোম্পানিগুলিকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়।
আইইএ ইতোমধ্যে এই মাসে ৪০০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল ছাড়ার ঘোষণা করেছে, যা তাদের ইতিহাসের অন্যতম বৃহত্তম মুক্তি। বিরোল জানান, এজেন্সির কাছে এখনও প্রায় ৮০ শতাংশ রিজার্ভ নিরাপদ রয়েছে এবং প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তিনি সতর্ক করেছেন যে, বর্তমানে বিশ্ব একটি গুরুতর শক্তি নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি।













Leave a Reply