
নয়াদিল্লি, এপ্রিল ১: ঝারখণ্ডের হজারি-বাগ জেলায় ১২ বছরের এক শিশুর সাথে ঘটে যাওয়া জঘন্য অপরাধের সংবাদে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে জাতীয় মহিলা কমিশন। কমিশন এই ঘটনার জন্য সমাজের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে এবং এটিকে একটি গুরুতর সতর্কতা হিসেবে বিবেচনা করছে।
প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, ২৫ মার্চ ২০২৬ তারিখে শিশুটির মৃতদেহ সন্দেহজনক অবস্থায় উদ্ধার করা হয়, যেখানে অত্যন্ত নিষ্ঠুরতার চিহ্ন পাওয়া গেছে। এই হৃদয়বিদারক ঘটনার ফলে এলাকায় ক্ষোভ এবং ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় নিয়ে, জাতীয় মহিলা কমিশন দ্রুত পদক্ষেপ নিয়ে উচ্চস্তরের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে।
কমিশনের সভাপতি বিজয়া রহাটকার তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন। এই কমিটি ২ এপ্রিল ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রমাণ সংগ্রহ করবে এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক ও পুলিশ কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করে ঘটনার পরিস্থিতি ও সম্ভাব্য কারণগুলোর বিস্তারিত পর্যালোচনা করবে। কমিটিতে জাতীয় মহিলা কমিশনের প্রাক্তন সদস্য মমতা কুমারী, কমিশনের আইন কর্মকর্তা মনমোহন ভার্মা এবং সিনিয়র সমন্বয়ক কঞ্চন খট্টর অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।
বিজয়া রহাটকার রাজ্য সরকার এবং পুলিশ প্রশাসনকে কঠোর নির্দেশনা দিয়ে বলেছেন যে, তদন্ত দ্রুত, নিরপেক্ষ এবং কার্যকর হওয়া উচিত, যাতে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া যায়। তিনি আরও বলেন, এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
তিনি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন, “এই ধরনের জঘন্য অপরাধ কোনো সভ্য সমাজের জন্য গ্রহণযোগ্য নয়। ভুক্তভোগীকে দ্রুত ন্যায় প্রদান করা আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার এবং দোষীদের কোনো মূল্যে ছাড়া দেওয়া উচিত নয়।”
তদন্ত কমিটিকে ১০ কার্যদিবসের মধ্যে কমিশনে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যার ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। জাতীয় মহিলা কমিশন এই ঘটনার উপর নিয়মিত নজরদারি রাখবে এবং মহিলাদের নিরাপত্তা, সম্মান ও ন্যায় নিশ্চিত করতে সর্বাত্মক চেষ্টা করবে।














Leave a Reply