
নতুন দিল্লি, মার্চ ১২: প্রাচীনকাল থেকে আয়ুর্বেদে বিভিন্ন ঔষধি গাছের ব্যবহার স্বাস্থ্য উন্নতির জন্য হয়ে আসছে। এর মধ্যে মুলেঠী অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ। এর বৈজ্ঞানিক নাম ‘গ্লাইসিরাইজা গ্ল্যাব্রা’ এবং এটি ‘লেগুমিনোসে’ পরিবারের অন্তর্ভুক্ত।
মুলেঠী একটি ঔষধি গাছ, যা মূলত গলা খুসখুস, কাশি এবং পাচন সংক্রান্ত সমস্যার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। এটি সংস্কৃত ভাষায় ‘যষ্টিমধু’ নামেও পরিচিত।
আয়ুর্বেদে মুলেঠীকে একটি কার্যকর প্রাকৃতিক ঔষধ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, কারণ এতে অনেক ঔষধি গুণ রয়েছে। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা বাড়াতে, গলা খুসখুস দূর করতে এবং শ্বাসতন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সহায়ক। এজন্য মুলেঠী বিভিন্ন আয়ুর্বেদিক ও গৃহ্য চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
এটি একটি বার্ষিক গাছ, যা হিমালয়ী অঞ্চলে পাওয়া যায়। মুলেঠী বাত এবং পিত্তের ভারসাম্য বজায় রাখতে ব্যবহৃত হয়। এর স্বাদ মিষ্টি এবং এটি বিভিন্ন রোগে উপশম দিতে সাহায্য করে। মুলেঠীর তাসীর ঠাণ্ডা এবং স্বাদ মিষ্টি। এতে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং ইমিউনো-মডিউলেটর গুণ রয়েছে, যা অনেক রোগে উপশম দেয়। তবে কফের প্রবণতা থাকলে এটি কম পরিমাণে গ্রহণ করা উচিত।
সুশ্রুত সংহিতায় মুলেঠীকে যষ্টিমধু বলা হয়েছে। তাদের মতে, এটি একটি প্রধান শীতল, মিষ্টি এবং পুষ্টিকর ঔষধি গাছ, যা বিভিন্ন রোগের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়।
যদি কারও পাচন সংক্রান্ত সমস্যা থাকে, তবে তিনি সকালে খালি পেটে মুলেঠী গ্রহণ করতে পারেন। এটি এসিডিটি, কোষ্ঠকাঠিন্য এবং গ্যাস দূর করতে সাহায্য করে। এটি পাচন তন্ত্রকে শক্তিশালী করে এবং অন্ত্রের পরিষ্কার রাখতে সহায়ক।
–
এনএস/ভিসি






Leave a Reply