
নোয়েডা, মার্চ ১৪: গৌতমবুদ্ধ নগরে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের অভাব এবং কালোবাজারির অভিযোগের মধ্যে জেলা প্রশাসন তাদের তদন্ত ত্বরান্বিত করেছে। প্রশাসনের দাবি, বর্তমানে জেলার মধ্যে গ্যাসের কোনো অভাব নেই এবং যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা শুধুমাত্র গুজব। তবে, বাস্তবতা ভিন্ন, যেখানে গ্যাস এজেন্সিগুলোর সামনে গ্রাহকদের ভিড় সিলিন্ডারের জন্য অপেক্ষা করছে।
জিলাধিকারী মেঘা রূপমের নির্দেশনায় গঠিত চারটি যৌথ টিম বিভিন্ন গ্যাস এজেন্সি এবং পেট্রোল পাম্পে অভিযান চালাচ্ছে। এই টিমগুলোর মধ্যে খাদ্য ও লজিস্টিক বিভাগ, মাপতোল বিভাগ এবং সংশ্লিষ্ট তেল কোম্পানির কর্মকর্তারা রয়েছেন। শুক্রবার দাদরি তহসিলের অধীনে ১৪টি গ্যাস এজেন্সিতে বিশেষ তদন্ত অভিযান পরিচালিত হয়।
প্রশাসন জানায়, এসব এজেন্সিতে যথেষ্ট পরিমাণে স্টক পাওয়া গেছে এবং কালোবাজারির কোনো প্রমাণ মেলেনি। জেলার মোট ৬৫টি গ্যাস এজেন্সি রয়েছে, যার মধ্যে ইন্ডিয়ান অয়েলের ১৩টি, হিন্দুস্তান পেট্রোলিয়াম এবং ভারত পেট্রোলিয়ামের ২৬টি করে এজেন্সি অন্তর্ভুক্ত।
অফিসারদের মতে, কালোবাজারির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং স্টকের নিয়মিত পরীক্ষা করা হচ্ছে। কর্মকর্তারা জানান, সিলিন্ডারের মাপও নিশ্চিত করা হচ্ছে যাতে গ্রাহকদের সঙ্গে কোনো ধরনের গণ্ডগোল না হয়। তবে, এই তদন্তের সময়েও গ্যাস এজেন্সিগুলোর বাইরে গ্রাহকদের দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। বিদেশি শ্রমিকদের জন্য এই সমস্যা আরও গুরুতর হয়ে উঠেছে।
দেশজুড়ে কর্মসংস্থানের সন্ধানে নোয়েডা এবং গ্রেটার নোয়েডায় আসা শ্রমিকদের প্রায়ই গ্যাস সংযোগ থাকে না। এ কারণে তারা সংযোগবিহীন এলপিজি সিলিন্ডারের ওপর নির্ভরশীল। বাজারে এই সিলিন্ডারের অভাবের খবর রয়েছে, যা তাদের সামনে রান্নার সংকট সৃষ্টি করেছে।
–
পিকে টি/ডিসিএইচ













Leave a Reply