
নতুন দিল্লি, এপ্রিল ২৫: নীতি কমিশনে পশ্চিমবঙ্গের দুই গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বকে বড় দায়িত্ব দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। অশোক লাহিডি নীতি কমিশনের উপ-সভাপতি হিসেবে নিয়োগ পেতে যাচ্ছেন, আর গোবর্ধন দাস সদস্য হিসেবে নিযুক্ত হবেন। তবে এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে অফিসিয়াল নিশ্চিতকরণ হয়নি।
অশোক লাহিডি একজন প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ। অর্থনৈতিক নীতির ক্ষেত্রে তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি বর্তমান পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার সদস্য এবং बालुरঘাট থেকে নির্বাচিত। তিনি কলকাতার প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে পড়াশোনা করেছেন। এছাড়াও, দিল্লি স্কুল অফ ইকোনমিক্স, এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক, বন্ধন ব্যাংক এবং জাতীয় লোক অর্থনীতি ও নীতি ইনস্টিটিউটের সঙ্গে গবেষণার কাজ করেছেন।
লাহিডি এবারের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন না। তবে নির্বাচনের মাঝেই তাকে গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। তিনি ভারত সরকারের ১২তম প্রধান অর্থনৈতিক উপদেষ্টা (সিইএ) হিসেবেও কাজ করেছেন।
অন্যদিকে, গোবর্ধন দাসও প্রশাসনিক ও নীতিগত বিষয়ে অভিজ্ঞ। তিনি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেছিলেন, কিন্তু হারেন। গোবর্ধন দাস দিল্লির জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজ করেছেন এবং আইআইএসইআর ভোপালের পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
এই নিয়োগের বিষয়ে অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তির অপেক্ষা করা হচ্ছে, তবে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের মাঝে এই নিয়োগগুলো গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। কেন্দ্র সরকার পশ্চিমবঙ্গের দুই বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বকে নীতি কমিশনে স্থান দেওয়াকে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছে।
অশোক লাহিডি, ড. সুমন বেরির স্থলাভিষিক্ত হবেন। প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ রাজীব কুমার নীতি কমিশনের উপ-সভাপতি পদ থেকে পদত্যাগ করার পর ড. সুমন বেরিকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। বেরি একজন প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ এবং তিনি ব্রাসেলসে একটি অর্থনৈতিক থিঙ্ক ট্যাঙ্কের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তিনি বিশ্বব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ হিসেবেও কাজ করেছেন। বেরি ২০০১ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত জাতীয় প্রয়োগ অর্থনৈতিক গবেষণা কাউন্সিলের পরিচালক ছিলেন।














Leave a Reply