
নতুন দিল্লি, মে ১৭: দেশের বিভিন্ন স্থানে তাপমাত্রা দ্রুত বাড়ছে। গ্রীষ্মের এই সময়ে সাধারণ মানুষের জন্য বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দিচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে, আয়ুর্বেদ গ্রীষ্মে সুস্থ থাকার জন্য সাতটি সহজ এবং কার্যকরী টিপস প্রদান করছে।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, গ্রীষ্মকালে পিত্ত দোষ বৃদ্ধি পায়। তাই শরীরকে ভিতর থেকে ঠান্ডা রাখা এবং ভারসাম্য বজায় রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আয়ুর্বেদের মতে, গ্রীষ্মের সময় কিছু সহজ উপায় অবলম্বন করে শারীরিক এবং মানসিকভাবে সুস্থ থাকা সম্ভব।
আয়ুর্বেদ বিশ্বাস করে যে, গ্রীষ্মকালে শরীর এবং মনকে ঠান্ডা এবং ভারসাম্যপূর্ণ রাখা হলে প্রকৃত স্বাস্থ্য লাভ হয়। এই আয়ুর্বেদিক টিপসগুলো দৈনন্দিন জীবনে অন্তর্ভুক্ত করে সহজেই গ্রীষ্মের তাপ সহ্য করা যায়।
১. ঠান্ডা পানীয় পান করুন: শসা, বেল শারবত, নারিকেল জল এবং ছাতু জাতীয় প্রাকৃতিক পানীয় গ্রীষ্মে শরীরকে ভিতর থেকে ঠান্ডা রাখে। এগুলো শুধু তৃষ্ণা মেটায় না, বরং শরীরের তাপমাত্রাও নিয়ন্ত্রণ করে।
২. দুপুরের তীব্র রোদ থেকে বাঁচুন: দুপুর ১২টা থেকে ৩টার মধ্যে বাইরে যাওয়া এড়িয়ে চলুন। যদি যেতে হয়, তবে মাথা কাপড় বা ছাতায় ঢেকে নিন এবং সঙ্গে পানি রাখুন।
৩. ভারী বা তেলে ভাজা খাবার এড়িয়ে চলুন: গ্রীষ্মে তৈলাক্ত, মসলাদার, ভাজা এবং অতিরিক্ত মিষ্টি খাবার পিত্ত দোষ বাড়ায়। হালকা, সাত্বিক এবং তাজা খাবার গ্রহণ করুন।
৪. গোলাপ জল এবং চন্দনের ব্যবহার করুন: গোলাপ জল চোখ এবং ত্বককে ঠান্ডা করে। চন্দনের পেস্ট ঘাম, জ্বালা এবং দাগ থেকে মুক্তি দেয়।
৫. সকালে দ্রুত উঠুন এবং হালকা ব্যায়াম করুন: সূর্য ওঠার আগে উঠুন এবং যোগাসন, প্রাণায়াম বা হালকা হাঁটুন। এতে শরীর সারাদিন এনার্জেটিক থাকে।
৬. দুপুর ও রাতের খাবার হালকা রাখুন: দুপুর ও রাতের সময় ভারী খাবার এড়িয়ে চলুন। ফল, সালাদ, দই এবং হালকা শস্য গ্রহণ করুন যাতে পাচন সহজ হয়।
৭. মনকে ঠান্ডা রাখুন: ধ্যান, গভীর শ্বাস গ্রহণের অনুশীলন এবং শান্ত সঙ্গীত শুনুন। মানসিক চাপ গ্রীষ্মের তাপ বাড়িয়ে দেয়, তাই মনকে শান্ত রাখা জরুরি।
–














Leave a Reply