
নতুন দিল্লি, আগস্ট ৪: সুস্থ শরীরের জন্য প্রতিদিন যোগাসন এবং সুষম খাদ্য অপরিহার্য। যোগে গরুড়াসন একটি গুরুত্বপূর্ণ আসন, যা শরীরকে নমনীয়তা এবং শক্তি প্রদান করে। বিশেষ করে শিশুদের শারীরিক উন্নয়ন এবং স্বাস্থ্যের জন্য এটি একটি সহজ এবং লাভজনক পদ্ধতি।
গরুড়াসনের নাম ‘গরুড়’ শব্দ থেকে এসেছে। ‘গরুড়’ মানে হচ্ছে ‘চিল’। এই আসনে আপনি চিলের মতো অবস্থানে থাকেন, তাই এর নাম গরুড়াসন। ইংরেজিতে একে ইগল পোজ বলা হয়।
আয়ুষ মন্ত্রণালয়ের মতে, গরুড়াসন ভারসাম্য, মনোসংযোগ এবং শারীরিক শক্তি বাড়ানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ যোগাসন। এটি হাত-পা ও অন্যান্য মাংসপেশীকে শক্তিশালী করে। এটি টাখনু, পিণ্ডলী, উরু এবং কাঁধের মাংসপেশীগুলোকেও শক্তিশালী করে। এটি পায়ের এবং কাঁধের জকড়ন দূর করে এবং স্নায়ু সিস্টেমকে সক্রিয় করে।
গরুড়াসন করতে প্রথমে তাড়াসন অবস্থানে দাঁড়ান। এ সময় স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিন। এরপর হাঁটু একটু বাঁকান এবং দুই হাতকে সামনে নিয়ে আসুন। পুরো শরীরের ভারসাম্য ডান পায়ে নিন এবং বাম পায়কে উপরে তুলুন। এরপর বাম পায়কে ডান পায়ের সামনে থেকে ঘুরিয়ে পিছনে নিয়ে যান। এই অবস্থায় বাম উরু ডান উরুর উপরে থাকবে। এরপর দুই হাতকে কনুই থেকে বাঁকিয়ে ক্রস করুন। বাম হাতকে ডান হাতের উপরে রাখুন এবং দুই হাতকে নমস্কার অবস্থায় নিয়ে আসার চেষ্টা করুন। যতক্ষণ সম্ভব এই অবস্থানে থাকুন এবং ধীরে ধীরে প্রাথমিক অবস্থায় ফিরে আসুন। এভাবে গরুড়াসনের তিন থেকে পাঁচ চক্র করা যেতে পারে।
এই আসনটি নতুন অভ্যাসকারীদের জন্য কিছুটা কঠিন হতে পারে, তবে নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে অনেক উপকার পাওয়া যায়। যদি হাঁটু, টাখনু বা কাঁধে সম্প্রতি কোনো আঘাত হয়ে থাকে, তবে এই আসনটি করবেন না।
–
এনএস/পিএম












Leave a Reply