Bengal Daily Kiran

Latest Bengal News – Breaking News Today, Live News, World

অজিৎ বর্মনের সঙ্গীত যাত্রা: ১৬ বছর বয়সে বাড়ি ছাড়ার গল্প

অজিৎ বর্মনের সঙ্গীত যাত্রা: ১৬ বছর বয়সে বাড়ি ছাড়ার গল্প

মুম্বাই, মার্চ ২৬: বিগত সময়ের অনেক তারকার মতো অজিৎ বর্মনের সঙ্গীতের জাদু আজও মানুষের মনে জীবন্ত। তিনি বাংলা ও হিন্দি সিনেমার মূল ধারায় নিজস্ব পরিচয় তৈরি করেছেন।

অজিৎ বর্মন ‘আক্রোশ’, ‘সারাংশ’, ‘আর্ধ সত্য’ এবং ‘এশিকি মেরি’ এর মতো সিনেমায় অসাধারণ সঙ্গীত দিয়েছেন। তিনি ছিলেন একমাত্র সঙ্গীতকারদের মধ্যে, যিনি শাস্ত্রীয়, লোক এবং পশ্চিমা সঙ্গীতকে একত্রিত করে নতুন সুর তৈরি করেছেন।

অজিৎ বর্মনের জন্ম ১৯৪৭ সালের ২৬ মার্চ কলকাতায়। ছোটবেলা থেকেই সঙ্গীতের প্রতি তার গভীর আগ্রহ ছিল। মাত্র ১৬ বছর বয়সে তিনি বাড়ি ছেড়ে চলে যান। কঠিন পরিস্থিতিতে কাটানো সেই সময়েই তিনি সঙ্গীতের বিভিন্ন দিক শিখতে শুরু করেন।

তিনি সঙ্গীত পরিচালক সালিল চৌধুরীর কাছে বসবাস করতেন এবং তার সুর শুনতেন। সালিল চৌধুরী তার প্রতিভা দেখে তাকে নিজের অর্কেস্ট্রায় যুক্ত করেন। ১৯৭০ সালে অজিৎ মুম্বাই আসেন এবং সালিল চৌধুরীর অর্কেস্ট্রায় যোগ দেন। সেখানে তার পরিচয় হয় সঙ্গীত অ্যারেঞ্জার সেবাস্টিয়ান ডিসুজার সঙ্গে। সেবাস্টিয়ান তাকে শঙ্কর-জয়কিশনের অর্কেস্ট্রায় যোগ দেওয়ার পরামর্শ দেন।

অজিৎ বর্মন ‘মেরা নাম জোকার’, ‘আনন্দ’ এর মতো সিনেমায় কাজ করেছেন এবং লক্ষ্মীকান্ত-প্যায়ারলালের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ১৯৭৬ সালে ‘নূর-এ-ইলাহী’ সিনেমার মাধ্যমে তিনি স্বাধীন সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। তবে ১৯৮০ সালে গোবিন্দ নিহালানির ‘আক্রোশ’ সিনেমার মাধ্যমে তিনি মূল পরিচিতি পান।

অজিৎ বর্মনের সঙ্গীত ছিল সমৃদ্ধ এবং জটিল। তার ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর গল্পকে গভীরতা দিত। তিনি নতুন গায়কদের যেমন माधुरी पुरंदारे, सत्यशील দেশপांडे এবং वंदना खांडेकर সুযোগ দিয়েছেন। তার শেষ সিনেমা ‘এশিকি মেরি’ (১৯৯৮) ছিল। ২০১২ সালে ‘লাইফ ইজ গুড’ সিনেমায় তিনি শেষবার ব্যাকগ্রাউন্ড স্কোর প্রদান করেন। অজিৎ বর্মন ২০১২ সালের ২৬ ডিসেম্বর পৃথিবীকে বিদায় জানান।

এমটি/ডিএসসি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *