
ভুবনেশ্বর, এপ্রিল ৩: ওড়িশা সরকার ২০২৭ সালের জনগণনা সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নিয়েছে। সরকার সকল বিভাগ, জেলা প্রশাসন এবং শহর কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে যে জনগণনা কাজে নিযুক্ত কর্মকর্তাদের এবং কর্মচারীদের বদলি করা যাবে না।
রাজস্ব ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের অতিরিক্ত মুখ্য সচিব আরবিন্দ পাধী বিভিন্ন বিভাগের সচিব, বিভাগীয় প্রধান, সকল জেলার কালেক্টর, নগর কমিশনার এবং মুখ্য জনগণনা কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে একটি চিঠি পাঠিয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেছেন।
রাজ্য সরকার ২০২৭ সালের জনগণনার কার্যক্রমের জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি শুরু করেছে। এই প্রক্রিয়া দুই পর্যায়ে ডিজিটাল মাধ্যমে সম্পন্ন হবে।
প্রথম পর্যায়ে, ১৬ এপ্রিল থেকে ১৫ মে ২০২৬ পর্যন্ত ৩০ দিনের জন্য বাড়ির তালিকা এবং আবাসিক জনগণনা অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া, ১ এপ্রিল থেকে ১৫ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত স্ব-গণনা (সেলফ এনিউমারেশন) কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
দ্বিতীয় পর্যায়ে, ফেব্রুয়ারি ২০২৭ সালে জনসংখ্যা গণনা (পপুলেশন এনিউমারেশন) অনুষ্ঠিত হবে।
রাজ্য সরকার জানিয়েছে, “জনগণনা কার্যক্রমকে সফল করার জন্য সকল বিভাগ, জেলা প্রশাসন এবং শহর কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে এই কাজে নিযুক্ত কর্মকর্তাদের এবং কর্মচারীদের বদলি করা যাবে না। সকল জেলার এবং নগর নিগমের প্রধান জনগণনা কর্মকর্তাদের নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে জনগণনা কর্মীদের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”
এছাড়া, জনগণনা কাজে নিযুক্ত মাস্টার ট্রেনার এবং ফিল্ড ট্রেনারদের মার্চ ২০২৭ পর্যন্ত বদলি করা হবে না।
সরকার স্পষ্ট করেছে যে, সুপারভাইজার এবং গণনাকারীদের (এনিউমারেটর) বদলির জন্য সংশ্লিষ্ট জেলা প্রধান জনগণনা কর্মকর্তার পূর্ব অনুমতি প্রয়োজন।
সকল বিভাগের প্রধানদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে, তারা ফিল্ড স্তরের জনগণনা কর্মীদের জন্য বদলি নিয়ন্ত্রণ সম্পর্কিত নির্দেশিকাগুলোর কঠোরভাবে পালন নিশ্চিত করবেন।
জনগণনা সম্পর্কিত সকল কর্মকর্তা এবং কর্মচারী জনগণনা আইন ১৯৪৮ এবং জনগণনা বিধিমালা ১৯৯০ অনুযায়ী তাদের দায়িত্ব পালন করবেন।
রাজ্য সরকার ২০২৭ সালের জনগণনা সফল করার জন্য সকল সংশ্লিষ্ট পক্ষের সহযোগিতা কামনা করেছে।
এদিকে, বৃহস্পতিবার লোক সেবা ভবনে মুখ্য সচিব অনু গর্গের সভাপতিত্বে জনগণনা ২০২৭-এর জন্য রাজ্য স্তরের সমন্বয় কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকও অনুষ্ঠিত হয়েছে।













Leave a Reply