Bengal Daily Kiran

Latest Bengal News – Breaking News Today, Live News, World

কেরালায় মৌসুমী বৃষ্টির তীব্রতা, পাঁচ জেলায় প্রথম রেড অ্যালার্ট জারি

কেরালায় মৌসুমী বৃষ্টির তীব্রতা, পাঁচ জেলায় প্রথম রেড অ্যালার্ট জারি

নতুন দিল্লি, জুন ৫: কেরালায় দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বৃষ্টির তীব্রতা বাড়ার সাথে সাথে রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে ভারী বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। আবহাওয়া দপ্তর (আইএমডি) শনিবারের জন্য পাঁচটি উত্তরের জেলায় মৌসুমের প্রথম রেড অ্যালার্ট জারি করেছে।

আইএমডি জানিয়েছে, মালাপ্পুরম, কোঝিকোড, ওয়ায়নাড, কন্নুর এবং কাসারগোড জেলাগুলিতে শনিবার রেড অ্যালার্ট ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে তিনটি জেলায় রবিবারও রেড অ্যালার্ট থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

এছাড়াও, ইডুক্কি, ত্রিশূর, এরনাকুলাম, কোট্টায়াম, পালাক্কড় এবং পাথানমথিট্টা জেলায় অরেঞ্জ অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে, এবং আলাপ্পুঝা, Kollam এবং তিরুভনন্তপুরম জেলায় ইয়েলো অ্যালার্ট ঘোষণা করা হয়েছে।

মৌসুমী বৃষ্টির প্রভাবে রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির সাথে সম্পর্কিত ঘটনা ঘটতে শুরু করেছে। শুক্রবার সকালে কোঝিকোড শহরে তীব্র বাতাসের কারণে অনেক স্থানে গাছ উপড়ে পড়েছে।

মৌসুমের গুরুতর পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রশাসন একটি বিস্তৃত নিরাপত্তা পরামর্শ জারি করেছে। ভূমিধস, মাটি সরে যাওয়া এবং আকস্মিক বন্যার আশঙ্কা রয়েছে এমন পাহাড়ি অঞ্চলে বসবাসকারী মানুষকে দিনের সময় নিরাপদ স্থানে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জলাবদ্ধতার আশঙ্কা থাকা নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের প্রয়োজন হলে শরণার্থী শিবিরে স্থানান্তরের জন্য বলা হয়েছে। মানুষকে ভারী বৃষ্টির সময় নদী এবং অন্যান্য জলাশয়ে সাঁতার কাটতে, মাছ ধরতে বা পারাপার করতে নিষেধ করা হয়েছে।

প্রশাসন মৌসুম স্বাভাবিক হওয়া পর্যন্ত ঝরনা, পর্যটন কেন্দ্র, জলাশয় এবং পাহাড়ি অঞ্চলে ভ্রমণ এড়ানোর পরামর্শ দিয়েছে। কেন্দ্রীয় জল কমিশন নদীর তীরে বসবাসকারী মানুষকে সতর্ক থাকতে বলেছে।

এছাড়াও, জলাশয়ের পাশে রাস্তা এবং গাছ পড়া ও বিদ্যুতের লাইনের সাথে সম্পর্কিত ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় ভ্রমণ থেকে বিরত থাকার সতর্কতা দেওয়া হয়েছে।

জরুরি অবস্থায় সহায়তার জন্য ২৪ ঘণ্টা নিয়ন্ত্রণ কক্ষ সক্রিয় রয়েছে। মানুষ সাহায্যের জন্য ১০৭৭ এবং ১০৭০ হেল্পলাইন নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন।

মনে রাখতে হবে, কেরালায় মৌসুমী বৃষ্টির শুরু দেশের চার মাসের দীর্ঘ বর্ষা মৌসুমের সূচনা করে। মৌসুমের অগ্রগতির সরাসরি প্রভাব পড়ে কৃষি, গ্রামীণ আয়, খাদ্য মূল্য এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক কার্যকলাপে। ভারতে প্রায় ৫১ শতাংশ চাষযোগ্য জমি বৃষ্টির উপর নির্ভরশীল, তাই মৌসুমের তীব্রতা এবং তার বিতরণ দেশের অর্থনীতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *