
কলকাতা, এপ্রিল ২৫: নির্বাচন কমিশন শনিবার সন্ধ্যায় কলকাতার তিনটি পুলিশ থানার প্রभारীদের বদলির নির্দেশ দিয়েছে। এর মধ্যে একটি পুলিশ থানার অধিকারভুক্ত এলাকায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারি আবাস অবস্থিত।
এই তিন প্রহরী (অফিসার-ইন-চার্জ) সকলেই ইন্সপেক্টর র্যাঙ্কের পুলিশ কর্মকর্তা। ২৯ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গে দুই পর্বে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বিধানসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় পর্বের ভোটের চার দিন আগে তাদের বদলি করা হয়েছে।
দ্বিতীয় পর্বে ২৯ এপ্রিল মোট ১৪২টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোট হবে, যার মধ্যে কলকাতার কেন্দ্রগুলোও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
কলকাতা পুলিশের অধিকারভুক্ত তিন প্রহরীর মধ্যে একজন কালীঘাট পুলিশ স্টেশনের প্রহরী উৎপল ঘোষ। এই পুলিশ স্টেশনের অধিকারভুক্ত এলাকায় মুখ্যমন্ত্রীর সরকারি আবাস অবস্থিত।
উৎপল ঘোষের স্থানে গৌতম দাসকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যিনি আগে কলকাতা পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চে ইন্সপেক্টর হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
নির্বাচন কমিশন কালীঘাট পুলিশ স্টেশনের অতিরিক্ত প্রহরী উত্তম পায়েকের বদলির নির্দেশও দিয়েছে। এছাড়াও, কমিশন আলিপুর এবং উল্টাডাঙ্গা মহিলা পুলিশ স্টেশনের প্রহরীদের বদলির নির্দেশ দিয়েছে। সুব্রত পাণ্ডেকে আলিপুর পুলিশ স্টেশনের নতুন প্রহরী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
নির্বাচন কমিশন উল্টাডাঙ্গা মহিলা পুলিশ স্টেশনের প্রহরীকেও বদল করেছে। চামেলী মুখার্জিকে এই পুলিশ স্টেশনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিনি আগে আলিপুর পুলিশ স্টেশনের অতিরিক্ত প্রহরী ছিলেন।
কালীঘাট পুলিশ স্টেশনের প্রহরী এবং অতিরিক্ত প্রহরীর বদলি দুটি কারণে গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমত, মুখ্যমন্ত্রীর সরকারি আবাস কালীঘাট পুলিশ স্টেশনের অধিকারভুক্ত। দ্বিতীয়ত, কালীঘাট পুলিশ স্টেশন দক্ষিণ কলকাতার ভবানীপুর বিধানসভা এলাকার অন্তর্গত। এইবারের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর সবচেয়ে উচ্চ-প্রোফাইল বিধানসভা এলাকা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, কারণ এখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিরোধী নেতা সুবেন্দু অধিকারী মুখোমুখি হচ্ছেন।
–
এসডি/ডিকেপি












Leave a Reply