
নতুন দিল্লি, জুলাই ৭: তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি) এর সাংসদ কীর্তি আজাদ সম্প্রতি রাম মন্দির ট্রাস্টের সঙ্গে সম্পর্কিত ঘটনাবলীর উপর প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি ট্রাস্টের বৈঠক, কর্মকর্তাদের পরিবর্তন এবং বিশ্ব হিন্দু পরিষদ (ভিএমপি) এর সদস্যদের ভূমিকা নিয়ে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির দাবি করেছেন।
কীর্তি আজাদ বলেন, রাম মন্দির ট্রাস্টে জাতীয় স্বয়ংসেবক সংঘ (আরএসএস) এবং বিশ্ব হিন্দু পরিষদের সদস্যরা রয়েছেন। তিনি আরএসএস এর অর্থনৈতিক ব্যবস্থার উপর প্রশ্ন তুলে বলেন, সংগঠনটির কাছে বিশাল ভবন রয়েছে, সারা দেশে অনুষ্ঠান হয় এবং লক্ষ লক্ষ সদস্যের দাবি করা হয়, কিন্তু এর অর্থায়ন ও আর্থিক কার্যক্রমের জনসাধারণের কাছে তথ্য নেই। এ ধরনের বড় সংগঠনের জন্য জনসাধারণের হিসাব-নিকাশ থাকা উচিত।
রাম মন্দির ট্রাস্টের বৈঠকে চাম্পত রায় এবং অনিল মিশ্রার পদত্যাগ গৃহীত হওয়ার পর বাজরঙ্গ লাল বাগড়ার নতুন সদস্য হিসেবে নিয়োগের বিষয়ে কীর্তি আজাদ মন্তব্য করেন। তিনি দাবি করেন, বাগড়া বর্তমানে বিশ্ব হিন্দু পরিষদের আন্তর্জাতিক সাধারণ সম্পাদক এবং এর ফলে তার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।
কীর্তি আজাদ বাজরঙ্গ লাল বাগড়ার পূর্ব প্রশাসনিক ক্যারিয়ারের উল্লেখ করে বলেন, তিনি ভারতীয় বন পরিষেবার কর্মকর্তা ছিলেন এবং পাবলিক সেক্টরের কোম্পানি ন্যাশনাল অ্যালুমিনিয়াম কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক পদে ছিলেন। তিনি অভিযোগ করেন, বাগড়ার বিরুদ্ধে কিছু অনিয়মের অভিযোগ ছিল এবং তার সেবা সময়ের আগে শেষ করা হয়েছিল। তিনি অভিযোগ করেন, বাগড়ার বিরুদ্ধে চুনা ক্রয় কেলেঙ্কারির মতো অন্যান্য মামলার উল্লেখ করেন এবং তদন্তের কথা বলেন।
এছাড়া, টিএমসি এর বিদ্রোহী সাংসদদের নির্বাচন কমিশনের কাছে অতিরিক্ত সময় চাওয়ার খবরের প্রতিক্রিয়ায় কীর্তি আজাদ বলেন, যখন কোনো বিষয়ে নথি ও তথ্য জমা হয়, তখন পরে সংশোধনের সুযোগ কম থাকে। এই ব্যক্তিরা দল ছাড়তে যাচ্ছেন এবং তাদের পক্ষে যথেষ্ট যুক্তি নেই।
বারুইপুরে এক নাবালিকা মেয়ের বিরুদ্ধে অভিযোগিত ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী সুবেন্দু অধিকারীর মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায়ও কীর্তি আজাদ বলেন, কিছু নেতা প্রতিটি ঘটনায় সাম্প্রদায়িক দৃষ্টিভঙ্গি খোঁজেন। অপরাধের শিকার ব্যক্তি যে ধর্মেরই হোক, তিনি প্রথমে একটি শিশু। এই ধরনের ঘটনাগুলোকে রাজনৈতিক বা সাম্প্রদায়িক রঙ দেওয়া উচিত নয়।
–
এসএকেএ/পিএম













Leave a Reply