
নতুন দিল্লি, ফেব্রুয়ারি ২৫: দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সঞ্জয় সিং বাঘেল ভারত মণ্ডপে অনুষ্ঠিত ‘ইন্ডিয়া এআই ইমপ্যাক্ট সামিট ২০২৬’ কে একটি ঐতিহাসিক উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, ৯০ এর দশকে তথ্য প্রযুক্তি (আইটি) গ্রহণের মাধ্যমে ভারত যে বিশ্বব্যাপী আইটি মহাশক্তি হয়ে উঠেছিল, ঠিক তেমনই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) আগামীতে ভারতকে নতুন দিশা দেখাবে।
অধ্যাপক বাঘেল আরও বলেন, “১৯৯০ এর দশকের শিশুদের কারণে আজ আইটি খাতে ভারতের সাফল্য। গুগলের সুন্দর পিচাই এবং আইবিএমের আরবিন্দ কৃষ্ণের মতো ব্যক্তিত্বরা এর উদাহরণ। প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বে এই গ্লোবাল এআই সামিট ভারতের জন্য একটি মাইলফলক।”
তিনি উল্লেখ করেন, “এটি যদি ‘গ্লোবাল এসিলারেট ইন্ডিয়া সামিট’ নামে পরিচিত হয়, তবে তা আরও উপযুক্ত হবে। কারণ, এই সামিট ভারতের উন্নয়নকে দ্রুতগতিতে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যে। আগামী চার বছরে যদি আমরা এই উদ্যোগকে এগিয়ে না নিয়ে যেতে পারি, তবে আমরা বিশ্ব প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ব।”
বিশ্ব জানে যে আগামী সময় এআই, অটোমেশন এবং কোয়ান্টাম কম্পিউটিংয়ের। ভারতীয় প্রতিভা সফটওয়্যারের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড়। সময়মতো যদি আমরা এই প্রতিভাকে এআইতে কাজে লাগাতে পারি, তবে ভারত ভোক্তা নয়, উত্পাদক হয়ে উঠবে। এটি আমাদের জন্য একটি সুযোগ, যখন আমরা বিশ্বের সামনে ভারতের সাফল্য তুলে ধরতে পারব।
– অर्पিত যজ্ঞনিক/এমএস













Leave a Reply