
দিল্লি, মার্চ ২৫: দেবভূমি উত্তরাখণ্ডের টিহরি গড়वाल জেলার ‘মা कुंजাপुरी দেবী’ আস্থা ও বিশ্বাসের একটি প্রধান কেন্দ্র। এই মন্দিরটি হিমালয়ের পাহাড়ে অবস্থিত এবং এটি শুধুমাত্র পূজার একটি জাগ্রত কেন্দ্র নয়, বরং এটি ৫১ শক্তিপীঠের মধ্যে একটি, যেখানে সতি দেবীর অঙ্গ পতিত হয়েছিল।
এখানের তাজা বাতাসে মিশে আছে আধ্যাত্মিক শান্তি এবং চারপাশের হিমালয়ের সৌন্দর্য, যা প্রতিটি মানুষের মনে অশেষ সুকুন এনে দেয়। মন্দিরের মহিমা দূর-দূরান্তে ছড়িয়ে পড়েছে। ভক্তরা এখানে মা রাণীর দর্শন এবং মন্দিরের পौरাণিক ইতিহাস জানার জন্য দূর-দূরান্ত থেকে আসেন।
উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি মন্দিরের গুরুত্ব সম্পর্কে বলেছেন। তিনি বুধবার তার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, “জনপদ টিহরি গড়वालের ‘মা कुंजাপुरी ধাম’ তার অসাধারণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং ঐশ্বরিক আভা জন্য বিখ্যাত একটি পौरাণিক সিদ্ধ পীঠ। এখানে পরিবেশ ভক্তি ও আধ্যাত্মিক শক্তিতে পরিপূর্ণ থাকে, যা প্রতিটি ভক্তকে বিশেষ অনুভূতি প্রদান করে।”
তিনি সকলকে মন্দিরে আসার জন্য আহ্বান জানান। মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, “আপনিও জনপদ টিহরি গড়ওয়াল আগমনের সময় মা कुंजাপुरी এর দর্শন অবশ্যই করুন।”
এই মন্দিরটি ৫২ শক্তিপীঠের মধ্যে একটি হিসেবে বিবেচিত। পौरাণিক কাহিনীগুলো অনুযায়ী, যখন ভগবান শিব সতি দেবীর দেহ নিয়ে ব্রহ্মাণ্ডে বিলাপ করছিলেন, তখন ভগবান বিষ্ণু তার সুদর্শন চক্র দিয়ে তার দেহের অংশগুলো বিচ্ছিন্ন করেন। বিশ্বাস করা হয় যে এখানে মা সতির ‘কুঞ্জ’ (উপরি অংশ বা ধড়) পতিত হয়েছিল, যার কারণে এই স্থানটির নাম ‘कुंजাপुरी’ হয়েছে।
মন্দিরের গৌরব এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য সত্যিই অসাধারণ। পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত এই স্থান আধ্যাত্মিক শক্তিতে পূর্ণ থাকে। এখান থেকে স্বর্গারোহিণী, গঙ্গোত্রী, বান্দরপুছ, चौखंबা, এবং দুন ভ্যালির মনমোহক দৃশ্য দেখা যায়। এছাড়াও, এই মন্দিরটি সূর্যোদয় দেখার জন্য একটি চমৎকার স্থান হিসেবে বিবেচিত হয়, যেখানে সকালে ভক্তরা মা’র দর্শন এবং হিমালয়ের দৃশ্য উপভোগ করতে আসেন। যদিও সারা বছর মন্দিরের দর্শন করা যায়, নবরাত্রির সময় এখানে বিশেষ রौनক দেখা যায়।
–
এনএস/পিএম









Leave a Reply