Bengal Daily Kiran

Latest Bengal News – Breaking News Today, Live News, World

শিমলার ঐতিহাসিক বেন্টনি ক্যাসেলে ডিজিটাল মিউজিয়ামের উদ্বোধন

শিমলার ঐতিহাসিক বেন্টনি ক্যাসেলে ডিজিটাল মিউজিয়ামের উদ্বোধন

শিমলা, জুলাই ১১: হিমাচল প্রদেশের রাজধানী শিমলার ঐতিহাসিক বেন্টনি ক্যাসেলে রাজ্যের প্রথম অত্যাধুনিক ডিজিটাল মিউজিয়াম উদ্বোধন করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী সুখবিন্দর সিং সুক্কু এবং উপমুখ্যমন্ত্রী মুকেশ অগ্নিহোত্রী যৌথভাবে এই মিউজিয়ামের উদ্বোধন করেন। প্রায় ৮.৫ কোটি টাকার ব্যয়ে নির্মিত এই ডিজিটাল মিউজিয়ামের লক্ষ্য হলো আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে হিমাচল প্রদেশের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, ইতিহাস, শিল্প ও প্রথাগুলোকে সাধারণ মানুষের এবং পর্যটকদের সামনে আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করা।

এই উপলক্ষে মুখ্যমন্ত্রী সুক্কু বলেন, বেন্টনি ক্যাসেল হিমাচলের একটি ঐতিহাসিক সম্পদ, যা বহু বছর ধরে পরিচিত। তাঁর স্কুলের সময় এই ভবনে পুলিশ মহাপরিদর্শকের (ডিজিপি) অফিস ছিল। পরে উপমুখ্যমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই ঐতিহাসিক ভবনকে সংরক্ষণ করে হিমাচলের ইতিহাস ও সংস্কৃতির জন্য একটি ডিজিটাল মিউজিয়ামে রূপান্তরিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, মিউজিয়ামে ইমার্সিভ ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার করা হয়েছে, যা দর্শকদের হিমাচল প্রদেশের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও প্রথাগুলোকে আধুনিক ডিজিটাল মাধ্যমে কাছ থেকে জানার সুযোগ দেবে। এতে শিমলার উপনিবেশিক ঐতিহ্য, কালকা-শিমলা রেলপথের ইতিহাস, প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী নিকোলাস রোরিকের কাজ, লোকশিল্প, ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি এবং রাজ্যের উন্নয়নের বিভিন্ন দিক প্রদর্শিত হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, অনেক যুবক এবং পর্যটক এখানে আসবেন এবং হিমাচল ও শিমলার গৌরবময় ইতিহাসের সাথে পরিচিত হবেন।

উপমুখ্যমন্ত্রী মুকেশ অগ্নিহোত্রী বলেন, বিশ্বের অনেক দেশে পর্যটকরা প্রথমে সেখানকার ইতিহাস ও সংস্কৃতি জানার জন্য মিউজিয়ামে যান। এই চিন্তা থেকেই শিমলায় এই অনন্য ডিজিটাল মিউজিয়াম তৈরি করা হয়েছে। তিনি জানান, মিউজিয়ামে মহাত্মা গান্ধীর সময়ের ঐতিহাসিক ঘটনাগুলি, হিমাচল প্রদেশের নির্মাতা ড. ওয়াই.এস. পারমারের অবদান, রাজ্যের মন্দির, লোকসংস্কৃতি, শিল্প এবং ঐতিহাসিক ঐতিহ্য ডিজিটাল মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, এই ডিজিটাল মিউজিয়াম কেবল হিমাচলের সাংস্কৃতিক পরিচয়কে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেবে, বরং শিমলা আসা দেশ-বিদেশের পর্যটকদের জন্যও একটি প্রধান আকর্ষণের কেন্দ্র হয়ে উঠবে। সরকার মনে করে যে, এই উদ্যোগ রাজ্যের পর্যটনকে নতুন দিশা দিতে এবং সাংস্কৃতিক সংরক্ষণ ও ঐতিহ্যের প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *