
নতুন দিল্লি, মার্চ ২৫: আজকের জীবনযাত্রা এমনভাবে পরিবর্তিত হয়েছে যে কাজের মাঝে খাবারের সময় বের করা খুব কঠিন হয়ে পড়েছে। সকালে অফিসে যাওয়ার তাড়ায় অনেকেই সঠিকভাবে নাশতা করতে পারেন না এবং চা ও বিস্কুট দিয়ে দিন শুরু করেন।
নাশতা শুধুমাত্র পেট ভরানোর উপায় নয়, বরং শরীরকে পুষ্টি দেওয়ার একটি মাধ্যম। যদি সকালে নাশতায় পুষ্টির অভাব থাকে, তবে পুরো দিনটাই ক্লান্তি ও ভারী ভাব নিয়ে কাটবে।
বর্তমানে, সময়ের অভাবে অনেকেই সকালে চা, বিস্কুট, ম্যাগি বা প্যাকেটজাত স্ন্যাক্স দিয়ে দিন শুরু করেন। স্বাস্থ্যকর নাশতার নামে বাজারে অনেক প্যাকেটজাত পণ্য এসেছে, যা সম্পূর্ণ পুষ্টি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়, কিন্তু এটি শুধুমাত্র একটি বিভ্রান্তি। এই ধরনের নাশতা শরীরকে ক্লান্তি ও ভারী ভাবের মধ্যে ফেলে দেয়। তবে আয়ুর্বেদ বলছে, সকালে নাশতা শরীরের জন্য অমৃতের মতো। এটি হালকা, পুষ্টিকর এবং সহজে হজমযোগ্য হওয়া উচিত। এমন খাবার শরীরের শক্তি ও পুষ্টির অভাব পূরণ করে।
এখন প্রশ্ন হল, নাশতায় কী খাওয়া উচিত? সকালে শুরু করার জন্য দালিয়া, পোহা, উপমা, মুগ ডালের চিলা, বা দাল থেকে তৈরি ইডলি খাওয়া যেতে পারে। এগুলি হালকা এবং সহজে হজম হয়। এতে ফাইবার এবং প্রোটিন দুটোই পাওয়া যায়। তাই চেষ্টা করুন, নাশতা যথেষ্ট পরিমাণে খান। নাশতার সাথে ভিজানো বাদাম, তাজা ফল, এবং দই বা ছাঁছের সাথে শুরু করতে পারেন। এগুলি শরীরকে প্রাকৃতিকভাবে শক্তি দেবে এবং সারাদিন শরীরকে চনমনে রাখবে।
সকালের শুরুতে জুসও খেতে পারেন। আমলা জুস, চুকন্দর জুস, গাজরের জুস, সাদা পেঁপে জুস বা নারকেল দুধের সাথে শুরু করতে পারেন। এগুলি গরমে শরীরকে শীতলতা প্রদান করে এবং শক্তি দেয়। মনে রাখবেন, নাশতা কখনোই বাদ দেবেন না এবং দুপুরের খাবারও সময়মতো খান। রাতের খাবার হালকা হলেও দুপুরের খাবার ফাইবার ও প্রোটিনে ভরপুর হওয়া উচিত।
–
পিএস/এবিএম














Leave a Reply