
লখনউ, মার্চ ২৪: যোগী সরকারের উদ্যোগী পরিকল্পনার মাধ্যমে আত্মনির্ভর উত্তর প্রদেশ এবং নারীর স্বাবলম্বনের স্বপ্ন এখন কেবল একটি স্লোগান নয়, বরং বাস্তবতা হয়ে উঠছে। সরকারের নীতির লক্ষ্য হল যুবক ও মহিলাদের ‘কর্মসংস্থান প্রার্থী নয়, বরং কর্মসংস্থান প্রদানকারী’ হিসেবে গড়ে তোলা।
সোমা গুপ্তার কাহিনী সরকারের এই দৃষ্টিভঙ্গিকে বাস্তবে রূপায়িত করছে। সরকারি পরিকল্পনার সুবিধা নিয়ে লখিমপুর-খীরি জেলার সিংহাখুড় গ্রামের সোমা আজ অন্যদের কর্মসংস্থান দিচ্ছেন।
সোমা গুপ্তা ২০২২ সালে উত্তর প্রদেশ খাদি ও গ্রামোদ্যোগ বোর্ডের মাধ্যমে ‘প্রধানমন্ত্রী কর্মসংস্থান সৃজন প্রকল্প’ এর অধীনে ২৫ লক্ষ টাকার ঋণ নিয়ে গুড় কলহু শিল্পের সূচনা করেন। আজকের দিনে, তার এই শিল্প কেবল তার আর্থিক অবস্থাকে শক্তিশালী করছে না, বরং এলাকার অনেক মানুষকেও কর্মসংস্থান দিচ্ছে। মৌসুমের সময়, একদিনে প্রায় ১৮ কুইন্টাল গুড় উৎপাদন করা হয়। এর জন্য তিনি ৬ একর জমিতে নিজে আখের চাষ করেন এবং অন্যান্য কৃষকদের কাছ থেকে আখ কিনেন।
তার উৎপাদিত পণ্য উত্তর প্রদেশ ছাড়াও বিহার, ঝাড়খণ্ড এবং পশ্চিমবঙ্গের মতো রাজ্যগুলোতেও সরবরাহ হচ্ছে। এটি কেবল তার ব্যবসার সাফল্যকেই নির্দেশ করে না, বরং গ্রামীণ স্তরে উৎপাদিত পণ্যের বাড়তি চাহিদাকেও প্রমাণ করে। প্রতি মাসে ৮০ থেকে ৯০ হাজার টাকার আয় করে সোমা আজ আত্মনির্ভর জীবনযাপন করছেন।
‘প্রধানমন্ত্রী কর্মসংস্থান সৃজন প্রকল্প’ একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বরোজগারের পরিকল্পনা। উত্তর প্রদেশে এটি তিনটি সংস্থার মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে, যথাক্রমে জেলা শিল্প কেন্দ্র, খাদি ও গ্রামোদ্যোগ কমিশন এবং ইউপি খাদি ও গ্রামোদ্যোগ বোর্ড। এই পরিকল্পনা গ্রামীণ ও শহুরে এলাকায় নতুন ক্ষুদ্র উদ্যোগ স্থাপন করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে। এই প্রকল্পের অধীনে উৎপাদন খাতের জন্য ৫০ লক্ষ টাকা এবং সেবা খাতের জন্য ২০ লক্ষ টাকার প্রকল্প খরচে সরকার ভর্তুকি প্রদান করে।
–
এসকে/ডিকে পি












Leave a Reply