
নতুন দিল্লি, জুন ২০: सूक्ष्म, लघु और मध्यम उद्यम (এমএসএমই) দেশের সমন্বিত এবং টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি। কেন্দ্রীয় এমএসএমই মন্ত্রী জীতেনরাম মাঞ্জি এই মন্তব্যটি আগ্রায় অনুষ্ঠিত ‘ব্রিক্স এমএসএমই ফোরাম ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে করেছেন।
তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে এমএসএমই ক্ষেত্রটি আর্থিক সহায়তা, নতুন প্রযুক্তি গ্রহণ, স্থায়িত্ব এবং বাজারে প্রবেশের মতো বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে, যার সমাধান সমষ্টিগত প্রচেষ্টার মাধ্যমে সম্ভব।
জীতেনরাম মাঞ্জি আরও উল্লেখ করেন, ব্রিক্স দেশগুলোর মধ্যে প্রচুর সম্ভাবনা এবং একে অপরের সম্পূরক শক্তি বিদ্যমান। যদি সদস্য দেশগুলি নিয়মিত যোগাযোগ এবং সহযোগিতা বাড়ায়, তবে একটি শক্তিশালী কাঠামো তৈরি করা সম্ভব হবে যা এমএসএমই-কে উদ্ভাবন, রপ্তানি এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির মূল মাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে।
এই মঞ্চে ব্রিক্স সদস্য এবং অংশীদার দেশগুলোর সরকারি প্রতিনিধিরা, নীতি নির্ধারক, শিল্প নেতারা এবং বেসরকারি খাতের বিশেষজ্ঞরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে এমএসএমই পরিবেশকে শক্তিশালী করা, টেকসই উন্নয়নকে উৎসাহিত করা এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা বাড়ানোর মতো বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
উত্তরপ্রদেশের এমএসএমই মন্ত্রী ভূপেন্দ্র চৌধুরী বলেছেন, উত্তরপ্রদেশ দেশের দ্রুত উন্নয়নশীল অর্থনৈতিক অঞ্চলের মধ্যে একটি। এতে এমএসএমই ক্ষেত্রের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তিনি বলেন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং স্থানীয় উন্নয়নে এমএসএমই একটি বড় অবদান রেখেছে। রাজ্য সরকার অবকাঠামো উন্নয়ন, নীতিগত সহযোগিতা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং ডিজিটাল ক্ষমতায়নের উপর কাজ করে যাচ্ছে।
এদিকে, এমএসএমই মন্ত্রণালয়ের সচিব ভারত খেড়া বলেন, এমএসএমই শুধুমাত্র অর্থনৈতিক ইউনিট নয়, বরং উদ্ভাবন, কর্মসংস্থান, উদ্যোগ এবং আঞ্চলিক উন্নয়নের প্রধান ইঞ্জিন। প্রযুক্তি গ্রহণ, টেকসই উৎপাদন, ডিজিটাল পরিবর্তন, দক্ষতা উন্নয়ন এবং বাজারে প্রবেশের মতো ক্ষেত্রগুলোতে ব্রিক্স দেশগুলোর মধ্যে সহযোগিতার বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে।
এটি উল্লেখযোগ্য যে, এই ফোরামটি তৃতীয় ব্রিক্স এসএমই ওয়ার্কিং গ্রুপের বৈঠনের পর অনুষ্ঠিত হয়েছে। এটি ব্রিক্স দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে নতুন দিশা দেওয়ার এবং এমএসএমই ক্ষেত্রকে বৈশ্বিক স্তরে শক্তিশালী করার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।













Leave a Reply