Bengal Daily Kiran

Latest Bengal News – Breaking News Today, Live News, World

মুস্তাক খানের শেষ বিদায়ে গজেন্দ্র চৌহান, সুনীল পাল ও রাজপাল যাদবের আবেগময় স্মৃতিচারণ

মুস্তাক খানের শেষ বিদায়ে গজেন্দ্র চৌহান, সুনীল পাল ও রাজপাল যাদবের আবেগময় স্মৃতিচারণ

মুম্বাই, সেপ্টেম্বর ২৫: অভিনেতা মুস্তাক খানের মৃত্যুর পর চলচ্চিত্র শিল্পে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ‘ওয়েলকাম’, ‘গদর’, ‘হাম হ্যাঁ রাহী প্যায়ার কে’ এবং অন্যান্য অনেক সিনেমায় তাঁর অনন্য অভিনয় দর্শকদের হাসিয়েছে এবং স্মরণীয় চরিত্র উপহার দিয়েছে। তাঁর শেষ বিদায়ে অংশগ্রহণ করেন অভিনেতা গজেন্দ্র চৌহান, কমেডিয়ান সুনীল পাল এবং অভিনেতা রাজপাল যাদব, যারা মুস্তাকের সঙ্গে তাদের স্মৃতি ভাগ করেছেন।

গজেন্দ্র চৌহান এক আবেগময় স্মৃতি শেয়ার করেন। তিনি বলেন, “একটি হাস্যোজ্জ্বল মুখ এখন আমাদের মাঝে নেই। প্রায় ছয় মাস আগে একটি পুরস্কার অনুষ্ঠানে মুস্তাকের সঙ্গে দেখা হয়েছিল। সেদিন মুস্তাক আমাকে জড়িয়ে ধরেছিল এবং একটি কথা বলেছিল, যার মানে তখন আমি বুঝতে পারিনি।”

তিনি আরও বলেন, “মুস্তাক আমাকে বলেছিল, ‘একবার জোরে জড়িয়ে ধরো, জানি না আবার কখন দেখা হবে।’ তখন আমি বুঝতে পারিনি, কিন্তু তাঁর মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর সেই কথার অর্থ বুঝতে পারলাম। মনে হচ্ছে, তিনি তাঁর অসুস্থতার গুরুত্ব বুঝতে পেরেছিলেন এবং হয়তো জানতেন যে তাঁর জন্য এই অসুস্থতা থেকে বেরিয়ে আসা কঠিন।”

কমেডিয়ান সুনীল পাল মুস্তাকের মিমিক্রি করার শখের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “যখনই তিনি আমার সঙ্গে দেখা করতেন, তিনি আমিতাভ বচ্চন, রাজেন্দ্র কুমার এবং আন্না হাজারের মিমিক্রি করতে বলতেন। এই তিনটি কণ্ঠস্বর তাঁর প্রিয় ছিল এবং তিনি আমার মিমিক্রি উপভোগ করতেন। তিনি আমার হোম প্রোডাকশন ছবিতে কাজ করেছিলেন। তিনি অত্যন্ত প্রিয় মানুষ ছিলেন। তাঁর জীবনে সবসময় সংগ্রাম ছিল, কিন্তু তাঁর মুখ থেকে হাসি কখনো মুছে যায়নি।”

অভিনেতা রাজপাল যাদবও মুস্তাক খানের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘ সম্পর্কের কথা স্মরণ করেন। তিনি বলেন, “মুস্তাক ভাই বলিউডকে প্রায় ৫০ বছর দিয়েছেন এবং এই সময়ে তিনি বিভিন্ন ধরনের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। তিনি যতটা ভালো অভিনেতা ছিলেন, ততটাই ভালো মানুষও ছিলেন। আমরা একসঙ্গে অনেক সিনেমায় কাজ করেছি।”

রাজপাল যাদব তাঁর শেষ সাক্ষাতের কথাও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, “মৃত্যুর প্রায় দুই ঘণ্টা আগে আমি হাসপাতালে তাঁর সঙ্গে দেখা করেছিলাম। তিনি আমার হাত ধরেছিলেন এবং হাত মেলান। তখন মনে হয়েছিল, হয়তো তাঁর স্বাস্থ্যের উন্নতি হচ্ছে। কিন্তু কিছু সময় পরই তাঁর মৃত্যুর খবর আসে। শেষ পর্যন্ত, ঈশ্বরের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।”

–

পিকে/এবিএম

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *