
নতুন দিল্লি, মার্চ ২৫: কেন্দ্রীয় যোগাযোগ ও পূর্বাঞ্চল উন্নয়ন মন্ত্রী এবং গুনা সংসদ সদস্য জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার দিকনির্দেশনায়, শিবপুরীর পবিত্র ভূমিতে শ্রীমন্ত माधवरাও সিন্ধিয়া স্বাস্থ্য সেবা মিশন, রোটারি রিজিওনাল মেডিকেল মিশন এবং মধ্যপ্রদেশ সরকারের যৌথ উদ্যোগে অনুষ্ঠিত নি:শুল্ক মেগা স্বাস্থ্য শিবির একটি নতুন ইতিহাস গড়েছে। ১৭ থেকে ২৪ মার্চ পর্যন্ত চলা এই বিশাল চিকিৎসা শিবিরকে “একই স্থানে অনুষ্ঠিত সবচেয়ে বড় নি:শুল্ক মাল্টি-স্পেশিয়ালিটি মেডিকেল ক্যাম্প” হিসেবে ইন্ডিয়া বুক অফ রেকর্ডস দ্বারা আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
এই রেকর্ড শুধুমাত্র একটি অনুষ্ঠান নয়, বরং সমষ্টিগত সেবার মনোভাব, উৎকৃষ্ট ব্যবস্থাপনা এবং জনকল্যাণের প্রতি প্রতিশ্রুতির প্রতীক। এই বিশাল শিবিরে হাজারো রোগীকে একসাথে উচ্চমানের স্বাস্থ্য সেবা সম্পূর্ণ নি:শুল্ক প্রদান করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা রোগীদের পরামর্শ, আধুনিক পরীক্ষা, প্রয়োজনীয় ওষুধ এবং জটিল চিকিৎসা সেবা প্রদান করেছেন, যা এলাকার হাজারো পরিবারের জন্য সরাসরি উপকারে এসেছে।
এই সাফল্যে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া জানান, এই রেকর্ড শুধুমাত্র সংখ্যার নয়, বরং আমাদের সংকল্পের সফলতার প্রতীক, যেখানে ‘নর সেবা হি নারায়ণ সেবা’ এর ভাবনা কেন্দ্রে রয়েছে। আমাদের লক্ষ্য হলো, এলাকার কোনো দরিদ্র বা প্রয়োজনীয় ব্যক্তি উন্নত স্বাস্থ্যসেবার অভাব অনুভব না করে। শিবপুরীর জনগণের ভালোবাসা, চিকিৎসকদের নিষ্ঠা এবং স্বেচ্ছাসেবকদের সেবার মনোভাব এই কৃতিত্বকে সম্ভব করেছে। এটি শিবপুরী নয়, বরং পুরো মধ্যপ্রদেশের জন্য গর্বের বিষয়।
তিনি এই উপলক্ষে রোটারি ক্লাব, সকল চিকিৎসক, প্যারামেডিক্যাল স্টাফ এবং স্বেচ্ছাসেবকদের এই ঐতিহাসিক সাফল্যের জন্য আন্তরিক অভিনন্দন জানান।
শিবপুরীতে অনুষ্ঠিত এই মেগা মেডিকেল ক্যাম্পের বিশেষত্ব হলো, এক ছাদের নিচে মাল্টি-স্পেশিয়ালিটি চিকিৎসা সেবার বিস্তৃত ব্যবস্থা। এখানে চোখ, দাঁত, হাড়ের মতো জটিল রোগের নির্ণয় থেকে শুরু করে উন্নত চিকিৎসা পরামর্শ এবং নি:শুল্ক হাই টেক রোবোটিক সার্জারির সুবিধা প্রদান করা হয়েছে। অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি, বিশেষজ্ঞ টিম এবং সুসংগঠিত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এই শিবির নিশ্চিত করেছে যে, প্রতিটি রোগী সময়মতো এবং গুণগত মানের চিকিৎসা পাবে। এই উদ্যোগ স্বাস্থ্যসেবার পৌঁছানোর ক্ষেত্রকে শক্তিশালী করেছে এবং গ্রামীণ ও দূরবর্তী এলাকার মানুষের জন্য চিকিৎসার নতুন দ্বার খুলে দিয়েছে।














Leave a Reply