
নয়ডা, এপ্রিল ২১: এনসিআর অঞ্চলের মানুষের জন্য আবহাওয়া আবারও পরিবর্তন হতে যাচ্ছে। মার্চ মাসে ফেব্রুয়ারির মতো হালকা শীত অনুভূত হলেও, এখন এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে মে-জুনের মতো তীব্র গরম ও তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। ভারতীয় আবহাওয়া দপ্তরের (আইএমডি) সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২১ এপ্রিল থেকে ২৪ এপ্রিল পর্যন্ত টানা তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২১ এপ্রিল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪১ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। ২২ ও ২৩ এপ্রিল তাপমাত্রা ৪৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে।
২৪ এপ্রিলেও সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪৩ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন ২৪ ডিগ্রি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। এই সময়ে দুপুর এবং সন্ধ্যা উভয় সময়েই তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি বজায় থাকার সতর্কতা দেওয়া হয়েছে, যা পরিস্থিতির গম্ভীরতা নির্দেশ করে।
তবে ২৫ ও ২৬ এপ্রিল আবহাওয়ায় কিছুটা পরিবর্তন দেখা যেতে পারে। এই সময়ে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪১ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন ২৫ ডিগ্রি থাকার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আংশিকভাবে মেঘলা থাকার সম্ভাবনা রয়েছে এবং বর্তমানে কোনো সতর্কতা জারি করা হয়নি। তবুও, গরম থেকে স্বস্তি সীমিত থাকবে বলে মনে হচ্ছে।
গরমের পাশাপাশি বায়ু গুণগত মানও মানুষের জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দিল্লি ও আশেপাশের এলাকায় এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) ক্রমাগত খারাপ অবস্থায় রয়েছে। দিল্লির আনন্দ বিহারে একিউআই ২২৪ রেকর্ড করা হয়েছে, যা খারাপ শ্রেণিতে পড়ে। আশোক বিহারে ১৭৩, বওয়ানায় ১৯৬ এবং চাঁদনি চক এলাকায় ১৬২ একিউআই রেকর্ড করা হয়েছে। নয়ডাতেও পরিস্থিতি ভালো নয়। সেক্টর-১ এ একিউআই ১৯৭, সেক্টর-১২৫ এ ১৭১, সেক্টর-৬২ এ ১৪৭ এবং সেক্টর-১১৬ এ ১৬০ রেকর্ড করা হয়েছে।
এদিকে গাজিয়াবাদের লোনি এলাকায় একিউআই ৩০১ পৌঁছেছে, যা অত্যন্ত খারাপ শ্রেণিতে পড়ে। এছাড়া বাসুন্ধরায় ১৯৫, সঞ্জয় নগরে ১৮৯ এবং ইন্দিরাপুরামে ১৬৮ একিউআই রেকর্ড করা হয়েছে। স্পষ্ট যে এনসিআর অঞ্চলের জনগণ বর্তমানে দ্বিগুণ আক্রমণের শিকার। বিশেষজ্ঞরা মানুষকে দুপুরের সময় বাড়ির বাইরে না বের হওয়া, পর্যাপ্ত পানি পান করা এবং মাস্ক ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছেন।













Leave a Reply