Bengal Daily Kiran

Latest Bengal News – Breaking News Today, Live News, World

নব ভারত সाक्षরতা অভিযান: ১১.৬৮ লাখেরও বেশি মানুষকে সाक्षর করেছে যোগী সরকার

নব ভারত সाक्षরতা অভিযান: ১১.৬৮ লাখেরও বেশি মানুষকে সाक्षর করেছে যোগী সরকার

লখনউ, জুন ৮: মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বে উত্তর প্রদেশ সরকার শিক্ষা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। এটি সমাজের সর্বশেষ ব্যক্তির কাছে শিক্ষা পৌঁছানোর এবং নিরক্ষরতা মুক্ত রাজ্যের লক্ষ্য অর্জনের জন্য অবিরত চেষ্টা চালাচ্ছে। নব ভারত সাক্ষরতা অভিযান লক্ষ লক্ষ মানুষের জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনছে।

১৫ বছরের বেশি বয়সী নিরক্ষর ব্যক্তিদের সाक्षর করার উদ্দেশ্যে ২০২২-২৩ থেকে ২০২৫-২৬ সালের মধ্যে ১১.৬৮ লাখেরও বেশি মানুষকে সাক্ষর করা হয়েছে। এই অভিযান শিক্ষা, আত্মনির্ভরতা, সচেতনতা এবং সামাজিক সশক্তিকরণের নতুন শক্তি দিচ্ছে।

কেন্দ্রীয় সরকারের প্রSponsored নব ভারত সাক্ষরতা কর্মসূচির আওতায় ১৫ বছরের বেশি বয়সী নিরক্ষর নাগরিকদের চিহ্নিত করে স্বেচ্ছাসেবক এবং প্রশিক্ষিত মাস্টার ট্রেনারদের সহযোগিতায় সাক্ষর করা হচ্ছে। এই কর্মসূচির আওতায় উপকারভোগীদের পড়া, লেখা এবং গণনা শেখানো হচ্ছে, যাতে তারা সামাজিক ও অর্থনৈতিক কার্যক্রমে আরও কার্যকরী অংশগ্রহণ করতে পারে। সরকার লক্ষ লক্ষ মানুষকে সাক্ষর করে নিরক্ষরতার বিরুদ্ধে লড়াইকে শক্তিশালী করছে এবং একটি আত্মনির্ভর, সচেতন এবং সশক্ত উত্তর প্রদেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

অভিযানের আওতায় চিহ্নিত স্বেচ্ছাসেবকদের প্রশিক্ষিত মাস্টার ট্রেনারদের দ্বারা প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এরপর স্বেচ্ছাসেবকরা অনলাইন এবং অফলাইন উভয় মাধ্যমেই সাক্ষরতা ক্লাস পরিচালনা করেন। রাজ্যজুড়ে পরিচালিত এই ক্লাসগুলো হাজার হাজার মানুষের জীবনে নতুন আত্মবিশ্বাস সৃষ্টি করছে। সরকারের উদ্দেশ্য শুধুমাত্র অক্ষর জ্ঞান প্রদান নয়, বরং নাগরিকদের সচেতন, সক্ষম এবং আত্মনির্ভর করা।

নব ভারত সাক্ষরতা কর্মসূচির আওতায় রাজ্যে এখন পর্যন্ত সাতটি সাক্ষরতা মূল্যায়ন পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই পরীক্ষাগুলোতে মোট ১৩,৮১,৫৩০ জন অংশগ্রহণ করেছেন, যার মধ্যে ১১,৬৮,২৯২ জন সফল হয়েছেন। ২০২২-২৩ সালে অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় ১.৪৬ লাখের বেশি অংশগ্রহণকারী ছিল, যখন ২০২৫-২৬ সালের সর্বশেষ পরীক্ষায় ৪.০১ লাখের বেশি অংশগ্রহণকারী ছিল। এই পরিসংখ্যানগুলো অভিযানের বৃদ্ধি এবং কার্যকারিতার প্রমাণ।

যোগী সরকার নব ভারত সাক্ষরতা কর্মসূচিকে ২০২৬-২৭ সালে আরও ব্যাপক এবং ফলস্বরূপ করার পরিকল্পনা করেছে। ভারত সরকারের নির্দেশনার অনুযায়ী রাজ্যের সকল জেলায় ১৫ বছরের বেশি বয়সী নিরক্ষর ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে সাক্ষর করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। চিহ্নিত নিরক্ষরদের স্বেচ্ছাসেবকদের সাথে যুক্ত করা হবে, যাদের প্রশিক্ষিত মাস্টার ট্রেনারদের দ্বারা বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

এরপর স্বেচ্ছাসেবকরা অনলাইন এবং অফলাইন মাধ্যমে সাক্ষরতা ক্লাস পরিচালনা করবেন। অভিযানের অগ্রগতির নিয়মিত পর্যবেক্ষণ হবে এবং ভারত সরকারের নির্দেশ অনুযায়ী বছরে দুইবার সাক্ষরতা মূল্যায়ন পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। সরকারের লক্ষ্য হলো যত বেশি সম্ভব মানুষকে শিক্ষার সাথে যুক্ত করে তাদের আত্মনির্ভর, সচেতন এবং সমাজের মূলধারার সক্রিয় অংশীদার বানানো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *