Bengal Daily Kiran

Latest Bengal News – Breaking News Today, Live News, World

নোয়েডা শ্রমিক সহিংসতা মামলায় এলএলবি ছাত্র গ্রেফতার, সোশ্যাল মিডিয়ায় উস্কানির অভিযোগ

নোয়েডা শ্রমিক সহিংসতা মামলায় এলএলবি ছাত্র গ্রেফতার, সোশ্যাল মিডিয়ায় উস্কানির অভিযোগ

নয়াদিল্লি, জুন ২: নোয়েডার বিভিন্ন শিল্প এলাকায় ১৩ এপ্রিল সংঘটিত শ্রমিক সহিংসতা মামলায় পুলিশ একটি বড় পদক্ষেপ নিয়ে এলএলবি ছাত্র যোগেশ মীনা গ্রেফতার করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, যোগেশ মীনা এই ঘটনার পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। তিনি মূলত রাজস্থানের জয়পুরের বাসিন্দা এবং allegedly রিভলিউশনারি ওয়ার্কার্স পার্টি অফ ইন্ডিয়ার (আরডব্লিউপিআই) সঙ্গে যুক্ত।

পুলিশ কর্মকর্তাদের মতে, শ্রমিক সহিংসতা হঠাৎ ঘটে যাওয়া ঘটনা নয়, বরং এটি একটি সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র ছিল। তদন্তের সময় পুলিশ অনেক ডিজিটাল এবং প্রযুক্তিগত প্রমাণ পেয়েছে, যার ভিত্তিতে যোগেশ মীনার গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ দাবি করেছে যে অভিযুক্ত সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এবং বিভিন্ন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে শ্রমিকদের মধ্যে ক্ষোভ এবং বিভ্রান্তির পরিবেশ তৈরি করার চেষ্টা করেছে।

তদন্তে দেখা গেছে, সহিংসতার সময় এবং পরে যোগেশ মীনা বিভিন্ন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে মিথ্যা প্রচার চালিয়েছিল যে নোয়েডা পুলিশের একজন কর্মকর্তার চালক শ্রমিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করছে এবং আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের উস্কানি দিচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, এই দাবি সম্পূর্ণরূপে মিথ্যা এবং ষড়যন্ত্রের অংশ ছিল।

এই মামলায় পুলিশ ইতিমধ্যে অনিল নামক একজন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে, যাকে allegedly পুলিশ কর্মকর্তার চালক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল। জিজ্ঞাসাবাদ এবং ডিজিটাল প্রমাণের পর পুলিশ স্পষ্ট করেছে যে অনিলের কোনও পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে সম্পর্ক ছিল না এবং তিনি কোনও কর্মকর্তার চালক ছিলেন না। তবে, তদন্তে দেখা গেছে যে অনিল এবং যোগেশ মীনার মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। সহিংসতার দিনও তাদের মধ্যে কথোপকথন হয়েছিল।

পুলিশের মতে, সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়ানো মিথ্যা তথ্যের প্রভাব অনেক শ্রমিকের উপর পড়েছিল, যার ফলে বিভিন্ন শিল্প এলাকায় সহিংস ঘটনা ঘটেছে। দাঙ্গাকারীরা বিভিন্ন কারখানা, অফিস এবং শিল্প ইউনিটে ভাঙচুর করেছে। অনেক স্থানে অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটেছে। পুলিশ তদন্ত অনুযায়ী, সহিংসতার সময় শতাধিক কোম্পানি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি নষ্ট হয়েছে।

বর্তমানে, পুলিশ এই মামলার গভীর তদন্ত করছে এবং এটি খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে যে এই alleged ষড়যন্ত্রে আরও কে কে জড়িত ছিল। কর্মকর্তাদের মতে, সহিংসতা উস্কে দেওয়া এবং গুজব ছড়ানোর জন্য যেকোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *