Bengal Daily Kiran

Latest Bengal News – Breaking News Today, Live News, World

ভূ-রাজনৈতিক চাপ সত্ত্বেও ভারতের GDP বৃদ্ধির হার ৭.১% হতে পারে

ভূ-রাজনৈতিক চাপ সত্ত্বেও ভারতের GDP বৃদ্ধির হার ৭.১% হতে পারে

নতুন দিল্লি, মার্চ ২৫: মধ্যপ্রাচ্যে বেড়ে চলা ভূ-রাজনৈতিক চাপ সত্ত্বেও ভারতের অর্থনৈতিক বৃদ্ধি শক্তিশালী থাকবে। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে দেশের জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭.১% হতে পারে। বুধবার প্রকাশিত এসএন্ডপি গ্লোবালের একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

এসএন্ডপি গ্লোবালের সর্বশেষ অর্থনৈতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারত বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল বৃহৎ অর্থনীতিগুলোর মধ্যে একটি থাকবে। এর মূল কারণ হচ্ছে শক্তিশালী অভ্যন্তরীণ চাহিদা, স্থিতিশীল রপ্তানি এবং ব্যক্তিগত বিনিয়োগের ধীরে ধীরে বৃদ্ধি।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, আগামী অর্থবছরে ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির হার ৭.১% হতে পারে, যা নির্দেশ করে যে বৈশ্বিক অনিশ্চিততার সত্ত্বেও দেশের অর্থনৈতিক গতি শক্তিশালী রয়েছে।

এছাড়া, এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের অর্থনীতি উন্নতির দিকে রয়েছে এবং এতে ভারত একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। চীন বাদে, এই অঞ্চলের বৃদ্ধি ২০২৬ সালে ৪.৫% পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে, যেখানে শক্তিশালী অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম এবং প্রযুক্তি খাতের ভালো পারফরম্যান্স অবদান রাখবে।

ভারতের অর্থনীতি শক্তিশালী ভোগ (কনজাম্পশন) এবং বাড়তে থাকা বিনিয়োগের মাধ্যমে সমর্থিত হচ্ছে, যা ভূ-রাজনৈতিক চাপ এবং বাণিজ্যিক অনিশ্চিততার প্রভাব কমাতে সাহায্য করবে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, চীনের অর্থনৈতিক বৃদ্ধি ধীর হতে পারে এবং ২০২৬ সালে তার জিডিপি বৃদ্ধির হার ৪.৪% হতে পারে। এর কারণ হচ্ছে দুর্বল চাহিদা, সম্পত্তি খাতের সমস্যা এবং বাইরের অনিশ্চিততা।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, কাঁচা তেলের বাড়তি দাম বিশ্বব্যাপী উদ্বেগের বিষয়, তবে ভারতের শক্তিশালী সেবা খাতের রপ্তানি এবং বৈচিত্র্যময় অর্থনীতি এই প্রভাবকে অনেকাংশে কমাতে সক্ষম হবে।

নীতিগত স্তরে, ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাংক (আরবিআই) থেকে আশা করা হচ্ছে যে তারা সুদের হার স্থিতিশীল রাখবে এবং একটি সুষম নীতি গ্রহণ করবে, যা উন্নয়নকে সমর্থন করবে এবং মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখবে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৭ অর্থবছরে মুদ্রাস্ফীতি প্রায় ৪.৩% থাকতে পারে, যা একটি সুষম স্তর হিসেবে বিবেচিত হয়, যদিও বৈশ্বিক জ্বালানি দামের ওঠানামা অব্যাহত থাকবে।

এছাড়া, এশিয়া-প্যাসিফিক দেশগুলো প্রযুক্তি সম্পর্কিত রপ্তানি, বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং সেমিকন্ডাক্টর খাত থেকে লাভবান হচ্ছে, যা বাণিজ্য এবং অর্থনৈতিক কার্যক্রমকে উৎসাহিত করছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *