
নতুন দিল্লি, মার্চ ৪: মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে নাগরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয় নিয়মিত নজরদারি করছে। বর্তমান পরিস্থিতির কারণে ভারতীয় এয়ারলাইন্সের ১,২২১ এবং বিদেশী এয়ারলাইন্সের ৩৮৮ ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ভারতীয় এয়ারলাইন্সগুলো তাদের শিডিউলে সতর্কতার সাথে পরিবর্তন এনেছে। দীর্ঘ এবং অতিরিক্ত দীর্ঘ দূরত্বের ফ্লাইটগুলো নিষিদ্ধ বিমানসীমা এড়িয়ে বিকল্প রুটে ধাপে ধাপে পুনরায় শুরু করা হচ্ছে।
ফেঁসে যাওয়া যাত্রীদের চলাচল নিশ্চিত করতে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এয়ারলাইন্সগুলো অতিরিক্ত সক্ষমতা মোতায়েন করছে এবং বিদেশী বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ ও ভারতীয় দূতাবাসের সাথে সমন্বয় করে নিরাপদ এবং সুসংগঠিত যাত্রা নিশ্চিত করা হচ্ছে। আজ ভারতীয় এয়ারলাইন্স মোট ২৪টি ফ্লাইট পরিচালনা করছে। গত ২৪ ঘণ্টায় আমিরাত এবং এতিহাদ ৯টি ফ্লাইট পরিচালনা করেছে।
৪ মার্চের জন্য ভারতীয় এয়ারলাইন্স ৫৮টি ফ্লাইটের পরিকল্পনা করেছে, যার মধ্যে ৩০টি ফ্লাইট ইন্ডিগো এবং ২৩টি ফ্লাইট এয়ার ইন্ডিয়া ও এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস পরিচালনা করবে।
ভারত এবং মধ্যপ্রাচ্যের মধ্যে পরিচালিত বিদেশী এয়ারলাইন্সগুলোও সীমিত সেবা দিচ্ছে, যা অপারেশন এবং বিমানসীমার পরিস্থিতির উপর নির্ভর করছে।
মন্ত্রণালয় স্পষ্ট করেছে যে যাত্রীদের নিরাপত্তা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। সব এয়ারলাইন্সকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে তারা যাত্রীদের সাথে স্বচ্ছ যোগাযোগ বজায় রাখবে এবং রিফান্ড, পুনঃশিডিউলিং ও অন্যান্য সহায়তা বিষয়ক নিয়মাবলী মেনে চলবে।
নাগরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রণালয় এয়ারলাইন্সগুলোর সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে এবং বিমান ভাড়ার উপর নজর রাখছে, যাতে এই সময়ে টিকিটের দামে অযৌক্তিক বৃদ্ধি না ঘটে।
যাত্রীদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে যে তারা বিমানবন্দরে যাওয়ার আগে তাদের সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সের সাথে ফ্লাইটের অবস্থা নিশ্চিত করে নেবেন এবং শুধুমাত্র অফিসিয়াল সূত্রে বিশ্বাস করবেন।
মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে তারা এয়ারলাইন্স, বিমানবন্দর অপারেটর, নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ এবং বিদেশ মন্ত্রণালয়ের সাথে সমন্বয়ে রয়েছে, যাতে নিরাপদ অপারেশন, সেবার সুসংগঠিত পুনরুদ্ধার এবং প্রভাবিত যাত্রীদের সুবিধা নিশ্চিত করা যায়।
মামলার বিষয়ে পরবর্তী তথ্য প্রয়োজন অনুযায়ী প্রকাশ করা হবে।













Leave a Reply