
রাঁচি, ফেব্রুয়ারি ৪: ঝারখণ্ড হাইকোর্ট রাঁচির তিনটি প্রধান জলস্রোত, কাঁকে ড্যাম, ধু্রবা ড্যাম এবং গেতলসুদ ড্যাম এলাকার অতিক্রমণের বিষয়ে গুরুতর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। আদালত জেলা প্রশাসনের কাছে বিস্তারিত প্রতিবেদন চেয়েছে। রাঁচির উপায়ুক্তাকে শপথপত্রের মাধ্যমে জানাতে বলা হয়েছে, এই তিনটি ড্যামের জন্য মোট কত ভূমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে, তার মধ্যে কত ভূমিতে অতিক্রমণ হয়েছে এবং অতিক্রমণ অপসারণের জন্য এখন পর্যন্ত কি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
হাইকোর্ট জানতে চেয়েছে, এই ড্যাম এবং তাদের ক্যাচমেন্ট এলাকার কখনো জরিপ করা হয়েছে কিনা। আদালত পূর্ববর্তী শুনানির নির্দেশনার বাস্তবায়নের প্রতিবেদনও রাঁচি নগর নিগম থেকে চেয়েছে। এ সময় নগর নিগমের পক্ষে আইনজীবী এলসিএন শাহদেব বক্তব্য রাখেন। মামলার পরবর্তী শুনানি ২৬ মার্চ নির্ধারিত হয়েছে।
শুনানির সময় রাজ্য সরকারের পক্ষে আইনজীবী শাহবাজ আখতার আদালতকে জানান, হিনু এবং হারমু নদীর তীরে এবং ধু্রবা ড্যাম এলাকার অতিক্রমণ অপসারণের জন্য সরকার ক্রমাগত পদক্ষেপ নিচ্ছে। তিনি উল্লেখ করেন, কিছু ক্ষেত্রে আদালতের স্থগিতাদেশের কারণে অতিক্রমণ অপসারণের কাজ করা সম্ভব হয়নি।
এন্টি করাপশন ব্যুরো (এসিবি) আদালতকে জানিয়েছে, ধু্রবা ড্যামের পাশে অতিক্রমণ করে বাড়ি নির্মাণ, সেই ভূমির রসিদ কাটা এবং মানচিত্র অনুমোদনের বিষয়ে দায়ী কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ মামলা দায়ের করেছে। এই মামলার ভিত্তিতে এসিবি আলাদাভাবে এফআইআর দায়ের করেছে।
মামলায় এমিকাস কিউরি ইন্দ্রজিৎ সিনহা আদালতকে জানান, কাঁকে, ধু্রবা এবং গেতলসুদ ড্যামের ক্যাচমেন্ট এলাকায় ব্যাপক অতিক্রমণ হয়েছে। তিনি বলেন, অতিক্রমণ নিয়ে হাইকোর্ট পূর্বে অনেক নির্দেশনা জারি করেছে, কিন্তু তাতেও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। এমিকাস কিউরি কাঁকে ড্যামের পরিস্থিতিকে সবচেয়ে গুরুতর উল্লেখ করে বলেন, সেখানে ড্যামের জমিতে মানুষের ব্যাপকভাবে দখল নেওয়া হয়েছে, যা ভবিষ্যতে জলসংকটের কারণ হতে পারে।
–
এসএনসি/এসকে














Leave a Reply