
লখনউ, মে ২২: উত্তর প্রদেশের লখনউতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের জ্বালানি সঞ্চয়ের আহ্বানে সাড়া দিয়ে অর্থমন্ত্রী সুরেশ খন্না বৃহস্পতিবার তার অফিস থেকে পদযাত্রা করে বাড়ি ফিরলেন। এ সময় তিনি মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলেন এবং বলেন, এটি শুধুমাত্র একটি ব্যক্তিগত উদ্যোগ নয়, বরং একটি বড় বার্তার সঙ্গে যুক্ত, যেখানে দেশের শক্তি সঞ্চয় এবং জ্বালানির সঠিক ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।
সুরেশ খন্না জানান, প্রধানমন্ত্রী মোদী এবং মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথের পক্ষ থেকে বারবার আহ্বান করা হচ্ছে যে দেশে পেট্রোল এবং ডিজেলের মতো জ্বালানির উপর নির্ভরতা কমাতে হবে। এর সরাসরি উপকার হবে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সঞ্চয়ে এবং আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির মধ্যে ভারতের উপর অর্থনৈতিক চাপও কমবে। তিনি বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে শক্তি সম্পদের বুদ্ধিমানের সঙ্গে ব্যবহার করা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।
তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী সবসময় চেষ্টা করে যাচ্ছেন যে আন্তর্জাতিক সমস্যাগুলোর সমাধান আলোচনা মাধ্যমে বের করা হোক, কিন্তু অনেক সময় পরিস্থিতি এমন হয় যে সমাধান তাত্ক্ষণিকভাবে পাওয়া যায় না। এ অবস্থায় দেশের সকল নাগরিকের দায়িত্ব বাড়ে যে তারা সরকারের নীতিগুলোর সমর্থন করেন এবং জ্বালানি সঞ্চয় অভিযানে অংশ নেন।
সুরেশ খন্না তার ব্যক্তিগত প্রচেষ্টার কথা উল্লেখ করে জানান, গত সপ্তাহে তিনি সাইকেলে বিধানসভায় গিয়েছিলেন এবং সাইকেলেই ফিরেছিলেন। এবার তিনি মোটরসাইকেলে বিধানসভায় গিয়েছিলেন, কিন্তু ফিরে এসেছেন পদযাত্রা করে। তার মতে, ছোট ছোট প্রচেষ্টা বড় পরিবর্তনের দিকে ইঙ্গিত করে। যদি প্রতিটি নাগরিক এভাবে জ্বালানি সঞ্চয়ের চেষ্টা করেন, তবে দেশে বড় পরিমাণে তেলের ব্যবহার কমানো সম্ভব।
তিনি জনগণের প্রতি আহ্বান জানান যে তারা এই ধরনের অভ্যাস গ্রহণ করুন, যেমন ছোট দূরত্বে পদযাত্রা করা, সাইকেল ব্যবহার করা বা অপ্রয়োজনীয় যানবাহন ব্যবহার থেকে বিরত থাকা। এর ফলে শুধু জ্বালানি সঞ্চয় হবে না, বরং পরিবেশের উপরও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
তিনি আরও বলেন, আজকের সময়ে যখন পেট্রোল-ডিজেলের দাম বাড়ছে, এটি শুধুমাত্র একটি অর্থনৈতিক বোঝা নয়, বরং একটি জাতীয় চ্যালেঞ্জও। এ অবস্থায় প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব হল দেশের প্রয়োজনগুলো বুঝতে এবং সহযোগিতা করতে।














Leave a Reply