
নতুন দিল্লি, মার্চ ৭: আজকের দ্রুতগতির জীবনে, অনিয়মিত রুটিন এবং বাড়তি কাজের চাপ বিভিন্ন শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে। চাপ, উদ্বেগ, বিরক্তি, দুঃখ এবং আতঙ্ক এখন সাধারণ মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে, সঙ্গীত থেরাপি এই সমস্যাগুলি কমাতে কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে।
সঙ্গীত মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য একটি সহজ, বিনামূল্যে এবং অত্যন্ত কার্যকর প্রতিকার হিসেবে কাজ করে। একটি দীর্ঘ দিন কাটানোর পর, শান্ত এবং হালকা সঙ্গীত শোনা মানসিক এবং আত্মিক বিশ্রাম প্রদান করতে পারে। জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন (এনএইচএম) নিজেকে সময় দেওয়ার এবং প্রিয় গান শোনার মাধ্যমে মানসিক চাপ কমানোর পরামর্শ দেয়।
এনএইচএম-এর মতে, সঙ্গীত শোনা বা বাজানো কর্টিসল স্তর (চাপের হরমোন) কমায় এবং ডোপামিন ও সেরোটোনিনের মতো সুখের হরমোন বাড়ায়। এর ফলে মেজাজের তাৎক্ষণিক উন্নতি ঘটে এবং উদ্বেগ ও বিষণ্ণতা কমে যায়। সঙ্গীত আবেগ প্রকাশের একটি সহজ মাধ্যম হয়ে ওঠে, whether it is sadness or joy, helping individuals to release their feelings.
সঙ্গীত থেরাপি মানসিক শান্তি, স্মৃতিশক্তি বাড়ানো, ঘুমের গুণমান উন্নত করা এবং জীবনে সুখ বৃদ্ধি করে। সঙ্গীত থেরাপির সুবিধাগুলির মধ্যে মানসিক চাপ ও উদ্বেগ কমানো, মেজাজ উন্নত করা এবং ইতিবাচক চিন্তা বাড়ানো অন্তর্ভুক্ত। এটি শান্ত মনের বজায় রাখতে, নেতিবাচক চিন্তা কমাতে এবং গভীর ও সহজ ঘুমে সহায়তা করে, পাশাপাশি আবেগের ভারসাম্য এবং আত্মবিশ্বাস বাড়ায়।
বিশেষজ্ঞরা প্রতিদিন কিছু সময় হালকা সঙ্গীত শোনার জন্য পরামর্শ দেন, যেমন ক্লাসিক্যাল, যন্ত্রসঙ্গীত, ভক্তিমূলক গান বা ব্যক্তিগত প্রিয় গান। এটি একটি জটিল থেরাপি নয় বরং একটি অভ্যাস যা মনকে শান্ত রাখে। যদি চাপের স্তর বেশি হয়, তবে সঙ্গীত থেরাপি বিশেষজ্ঞের সাহায্য নেওয়া উচিত। তবে, সঙ্গীত কম ভলিউমে শোনা এবং সম্ভব হলে হেডফোন ও ইয়ারফোন ব্যবহার এড়ানো উচিত।
–
“ডিসক্লেইমার: এই সংবাদটি সরাসরি সংস্থার থেকে এসেছে; আমাদের টিম কোনো সম্পাদনা করেনি।”














Leave a Reply