
নতুন দিল্লি, 30 জুন: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মঙ্গলবার ‘সেবা তীর্থ’ এ কেন্দ্রীয় সরকারের সকল মন্ত্রণালয় ও বিভাগের সচিবদের সঙ্গে একটি উচ্চ স্তরের বৈঠক আহ্বান করেছেন। বৈঠকে সংস্কার এজেন্ডার উপর ব্যাপক আলোচনা করার উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, কারণ সরকার আগামী প্রজন্মের প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক সংস্কারগুলোকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চায়।
এই বৈঠকে মূলত ‘ব্যবসা করা সহজ’, ডিজিটাল গভর্নেন্স, নিয়মাবলীর শিথিলতা এবং ‘লাস্ট-মাইল ডেলিভারি’ (সেবাগুলো শেষ ব্যক্তির কাছে পৌঁছানো) এর মতো বিষয়গুলোতে আলোচনা হবে।
ক্যাবিনেট সচিব ছাড়াও, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর দুই প্রধান সচিব, পি.কে. মিশ্র এবং শক্তিকান্ত দাস এবং সকল প্রধান বিভাগের সচিবও উপস্থিত থাকবেন।
বর্তমান অর্থবছরে প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে সচিব স্তরের এটি প্রথম বড় বৈঠক। এটি 2026 সালের দ্বিতীয়ার্ধের জন্য সরকারের মূল নীতিগত অগ্রাধিকারগুলোর সঙ্গে প্রশাসনকে একত্রিত করার একটি সংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
এই বৈঠক নিয়মাবলী সহজ করে, ‘আত্মনির্ভর ভারত’কে উৎসাহিত করে এবং মন্ত্রণালয় ও বিভাগের প্রশাসনিক দক্ষতা বাড়ানোর উপর কেন্দ্রিত, সরকারের ‘উন্নত ভারত’ এর দৃষ্টিভঙ্গিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে।
এটি দেশের শীর্ষ সিভিল সার্ভিসদের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর দ্বিতীয় ব্যাপক আলোচনা।
বৈঠকে সরকারের প্রধান সংস্কার এজেন্ডা, বিশেষ করে ‘ব্যবসা করা সহজ’ এবং ‘জীবনযাত্রা সহজ’ এ আরও সংস্কারের উপায় নিয়ে আলোচনা হওয়ার আশা রয়েছে। সিনিয়র কর্মকর্তারা কাঠামোগত সংস্কারগুলোর আপডেট দিতে পারেন, বাস্তবায়নের অগ্রগতি মূল্যায়ন করতে পারেন এবং সেই সব ক্ষেত্র চিহ্নিত করতে পারেন, যেখানে মূল নীতিগত উদ্যোগগুলো সময়মতো সম্পন্ন করতে বেশি মনোযোগ দেওয়ার প্রয়োজন।
এই পর্যালোচনা তাইও গুরুত্বপূর্ণ, কারণ কেন্দ্র সরকার সম্প্রতি রেলওয়ে সহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে ‘52 সপ্তাহে 52 সংস্কার’ এর মতো উচ্চাকাঙ্ক্ষী উদ্যোগ শুরু করেছে, যেখানে বাস্তবায়নের সময়সীমা স্পষ্টভাবে নির্ধারিত হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী মোদি সবসময় নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে ফলাফল অর্জনের গুরুত্বের উপর জোর দিয়েছেন, ফলে সময়-সময়ে পর্যালোচনা সরকারের কার্যক্রমের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে।
এই বৈঠক থেকে মন্ত্রণালয়গুলোকে অগ্রগতি মূল্যায়ন করার, বাস্তবায়নে আসা চ্যালেঞ্জগুলো সমাধান করার এবং সংস্কারগুলোতে গতি আনতে পারস্পরিক সহযোগিতা শক্তিশালী করার সুযোগ পাওয়ার আশা করা হচ্ছে। এই সংস্কারগুলোর উদ্দেশ্য হলো জনসেবা বিতরণে উন্নতি করা, নিয়মের বোঝা কমানো এবং শিল্পগুলোর জন্য ব্যবসা করা সহজ করা, পাশাপাশি নাগরিকদের জীবনকে সহজতর করা।














Leave a Reply