
পাটনা, জুলাই ৮: বিহার বিজেপির সভাপতি সঞ্জয় সরাভগী মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরীর নেতৃত্বে রাজ্য সরকারের ১০০ দিন পূর্ণ হওয়ার পর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, “এটি সরকার জনগণের প্রতি সমর্পিত। মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরীর নেতৃত্বে অভূতপূর্ব কাজ হচ্ছে।”
সঞ্জয় সরাভগী আরও বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরীর নেতৃত্বে জনগণের সমস্যার সমাধান হচ্ছে। পঞ্চায়েতগুলোতে সহযোগিতা শিবির অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এক মাসের মধ্যে আবেদনগুলোর নিষ্পত্তি করতে হবে। নিষ্পত্তি না হলে কর্মকর্তারা স্বয়ং সাসপেন্ড হয়ে যাবেন।”
তিনি জানান, মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধুরী একটি নতুন পদক্ষেপ নিয়েছেন। যেসব সমস্যার নিষ্পত্তি নিয়ে অভিযোগ রয়েছে, সেগুলোর শুনানি নিজেই করবেন মুখ্যমন্ত্রী। দ্বিতীয় সপ্তাহের মঙ্গলবার তিনি সময় রেখেছেন। তাই এই সরকার সম্পূর্ণরূপে সাধারণ জনগণের জন্য সমর্পিত।
সঞ্জয় সরাভগী বলেন, “এই সরকার কোনো অবস্থাতেই অপরাধ এবং অপরাধীকে মেনে নেবে না। অপরাধ নিয়ন্ত্রণে যা কিছু করা প্রয়োজন, সরকার তা করছে।” তিনি জানান, ১১টি স্মার্ট সিটি তৈরির ঘোষণা হয়েছে এবং এর প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু হয়েছে। বিহারে অনেক এক্সপ্রেসওয়ে এবং হাইওয়ে নির্মিত হবে। মুখ্যমন্ত্রীর অগ্রাধিকারগুলোর মধ্যে শিল্প রয়েছে। নীতীশ কুমার বিহারে জঙ্গলরাজ থেকে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সম্রাট চৌধুরী বিহারকে সমৃদ্ধ করবেন।
সঞ্জয় সরাভগী বাঁকিপুর উপনির্বাচনে বিজেপি প্রার্থীর জয়ের দাবি করেছেন। তিনি বলেন, “ফলাফল নিশ্চিত। বৃহস্পতিবার বিজেপি প্রার্থী তার মনোনয়নপত্র জমা দেবেন। বড় ব্যবধানে দলের প্রার্থী জিতবে।” তিনি আরও বলেন, “প্রশান্ত কিশোর ভোট কাটার জন্য লড়ছেন।”
আইআরসিটিসি ঘোটালা মামলায় সঞ্জয় সরাভগী লালু পরিবারের বিরুদ্ধে বড় আক্রমণ করেছেন। তিনি বলেন, “এই লোকেরা রাজনীতিতে অপরাধী সিন্ডিকেট চালাচ্ছে। তারা চাকরির নামে বিহারকে লুট করেছে। লালু প্রসাদ যাদব সাজাপ্রাপ্ত। তিনি জেলে গেছেন। তেজস্বী যাদব এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্য জামিনে আছেন। মামলার পক্ষে শক্তিশালী প্রমাণ রয়েছে।”
সরাভগী বলেন, “চাকরির নামে গরিবদের জমি তাদের নামে লিখিয়ে নেওয়া হয়েছে। যখন লালু প্রসাদ যাদব রেলমন্ত্রী ছিলেন, চাকরির বদলে জমি নেওয়া হয়েছিল। এখন তারা বাঁচতে পারবে না, কারণ শক্তিশালী প্রমাণ রয়েছে।”
প্রধানমন্ত্রী মোদির ইন্দোনেশিয়া সফর নিয়ে সঞ্জয় সরাভগী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আজ ইন্দোনেশিয়ার সফরে রয়েছেন, যেখানে ১,০০০ বছরের পুরনো একটি মন্দির রয়েছে। ইন্দোনেশিয়ার সরকার সেটিকে সংরক্ষণ এবং দেখাশোনা করছে। সেখানে আপনি ভগবান শ্রী রাম এবং পুরো রামায়ণকে উৎসর্গীকৃত অনেক মন্দির পাবেন।”
তিনি বলেন, “ইন্দোনেশিয়ার ৯০ শতাংশ জনসংখ্যা মুসলিম। তবুও সেখানে সরকার মন্দিরগুলোর দেখাশোনা করে। এতে পুরো বিরোধী দলকে শিক্ষা নেওয়া উচিত। এখানে মন্দিরের নাম শুনলেই বিরোধীরা উত্তেজিত হয়ে ওঠে। আজ পর্যন্ত রাহুল গান্ধী অযোধ্যার রাম মন্দিরে দর্শনে যাননি। ইন্দোনেশিয়ায় অনেক মন্দির রামায়ণের ইতিহাসের উপর নির্মিত। তাই বিরোধীদের শিক্ষা নেওয়া উচিত।”
–
ডিসিএইচ/













Leave a Reply