
নতুন দিল্লি, আগস্ট ৯: আজকাল রাত জাগা এবং সকালে দেরিতে ওঠা সাধারণ হয়ে গেছে। কিন্তু এই অভ্যাস পরে বিভিন্ন রোগের কারণ হতে পারে। আয়ুর্বেদিক ঐতিহ্যে “ব्रह্মমুহূর্তে উত্তিষ্ঠেত” অর্থাৎ ব্রহ্মমুহূর্তে ওঠার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। যদি দিনের শুরু সঠিকভাবে হয়, তবে তার ইতিবাচক প্রভাব শরীর এবং মনে পড়তে পারে।
আয়ুষ মন্ত্রণালয় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স-এ পোস্ট করে জানিয়েছে যে ব্রহ্মমুহূর্ত সাধারণত সূর্যোদয়ের প্রায় দুই ঘণ্টা আগে হয়। এই সময় পরিবেশ শান্ত, তাজা এবং তুলনামূলকভাবে পরিষ্কার থাকে। রাতের ভালো ঘুমের পর শরীর প্রয়োজনীয় বিশ্রাম পেয়ে যায় এবং মন নতুন শক্তি নিয়ে দিনের শুরুতে প্রস্তুত থাকে। সকালে শান্ত পরিবেশ ধ্যান, যোগ, প্রাণায়াম এবং আত্মচিন্তনের জন্য উপযুক্ত মনে করা হয়।
আয়ুর্বেদ অনুযায়ী, সকালে দ্রুত ওঠার অভ্যাস মনকে আরও সজাগ, কেন্দ্রিত এবং শান্ত রাখতে সাহায্য করতে পারে। যখন দিনের শুরু তাড়াহুড়ো ছাড়া হয়, তখন ব্যক্তি তার প্রয়োজনীয় কাজের পরিকল্পনা ভালোভাবে করতে পারে। সকালে কিছু সময় নিজের জন্য বের করে নেওয়া ইতিবাচক চিন্তা বিকাশ এবং মানসিক শান্তি অনুভব করতে সাহায্য করতে পারে।
সকালের তাজা বাতাসে হাঁটা, হালকা ব্যায়াম, যোগ এবং প্রাণায়াম করাও ভালো মনে করা হয়। এর ফলে শরীর সক্রিয় অনুভব করে এবং দিনের শুরু শক্তিশালীভাবে হতে পারে।
তবে, শুধু দ্রুত ওঠা যথেষ্ট নয়। রাতের বেলা সময়মতো ঘুমানো এবং পর্যাপ্ত ঘুম নেওয়াও সমান গুরুত্বপূর্ণ। ঘুম না নিয়ে জোর করে খুব সকালে ওঠা ক্লান্তির কারণ হতে পারে।
আয়ুর্বেদে প্রতিটি ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা এবং স্বাস্থ্যকেও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তাই যদি কারও অসুস্থতা, দুর্বলতা, ঘুমের সমস্যা বা অজীর্ণের মতো কোনো সমস্যা থাকে, তবে দৈনন্দিন রুটিনে বড় পরিবর্তন করার আগে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া ভালো।
–
পিআইএম/এএস











Leave a Reply