
উজ্জয়ন, অক্টোবর ১৪: দ্বাদশ জ্যোতির্লিঙ্গের মধ্যে অন্যতম, উজ্জয়ন শহরের শ্রী মহাকালেশ্বর মন্দিরে বুধবার সকালে ভস্ম আরতির এক বিশাল আয়োজন করা হয়। এতে বিপুল সংখ্যক ভক্ত অংশগ্রহণ করেন। তারা মহাকালের মোহনীয় ও অলৌকিক রূপ দর্শন করেন।
আরতির পূর্বে, বাবা মহাকালের জল এবং পঞ্চামৃত দ্বারা অভিষেক করা হয় এবং আকর্ষণীয় ফুল ও চন্দন দিয়ে অলৌকিক সাজসজ্জা করা হয়। এরপর মহানির্বাণ আখড়ার পক্ষ থেকে ভস্ম অর্পণ করা হয়। প্রভাতকালে বাবা মহাকালের এই মোহনীয় রূপ দর্শন করে ভক্তরা আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন এবং পুরো মন্দির প্রাঙ্গণ “জয় শ্রী মহাকাল” স্লোগানে গুঞ্জরিত হয়ে ওঠে।
প্রথা অনুযায়ী, মহানির্বাণ আখড়ার পক্ষ থেকে বাবা মহাকালকে ভস্ম আরতি অর্পণ করা হয়। বিশ্বাস করা হয় যে, ভস্ম অর্পণ করার পর বাবা মহাকাল নিরাকার থেকে সাকার রূপে দর্শন দেন। এই আরতিতে অংশগ্রহণের জন্য বিপুল সংখ্যক ভক্ত উজ্জয়নের পবিত্র নগরীতে আসেন।
এদিকে, ১৭ অক্টোবর উজ্জয়নে শারদীয় নবরাত্রির পবিত্র উপলক্ষে একটি বিশাল, ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় আয়োজন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। উজ্জয়ন উত্তর বিধানসভা এলাকার বিধায়ক অনিল জৈন কালুহেড়ার নেতৃত্বে শহরে একটি নতুন ইতিহাস রচনার প্রস্তুতি চলছে।
এই ঐতিহাসিক আয়োজনে মহাযজ্ঞ এবং কন্যা পূজনের অনুষ্ঠান হবে, যেখানে উত্তর বিধানসভা এলাকার মোট ১৫১ স্থানে একসাথে কন্যাদের পূজন ও পাদ-পূজন করা হবে। এই বৃহৎ আনুষ্ঠানে ৩১,০০০ এরও বেশি কন্যার পূজনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, যেখানে বিপুল সংখ্যক কন্যা অংশগ্রহণ করবে।
এই বিশাল আয়োজনের সূচনা সকাল ৯.৩০ টায় হবে। এই আয়োজনকে বিশেষ করে তোলার জন্য প্রতিটি পূজন স্থলে সমাজের প্রায় ৩০ জন প্রাবুদ্ধজনকে বিশেষ অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে, যা সামাজিক সমरसতার বার্তা দেবে। এই মহাযজ্ঞকে সফল ও সুসংগঠিত করতে প্রায় ৫,০০০ কর্মী দিন-রাত প্রস্তুতিতে নিয়োজিত রয়েছেন। এই বিশাল ধর্মীয় আনুষ্ঠানের সাক্ষী শহরের প্রায় দেড় লাখ মানুষ হবে।
–










Leave a Reply