
তিরুবনন্তপুরম, এপ্রিল ১৮: মহিলা आरक्षण সংশোধন বিল এবং परिसীমন নিয়ে রাজনৈতিক উত্তেজনা বেড়ে গেছে। কেরল কংগ্রেস এবং অন্ধ্র প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নায়ডুর মধ্যে তীব্র বাক্যবিনিময় হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী নায়ডু অভিযোগ করেছেন যে, বিরোধী দল মহিলা आरक्षण সংশোধন বিলটি আটকে রেখেছে। এর পর কেরল কংগ্রেস পাল্টা জবাব দিয়েছে। তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্টে নায়ডুকে অন্ধ্র প্রদেশের প্রতি ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ করার অভিযোগ করেছে এবং সতর্ক করেছে যে এই ভূমিকা মনে রাখা হবে।
কেরল কংগ্রেস তাদের জবাবে জানিয়েছে যে, মহিলা आरक्षण সংশোধন বিল ২০২৩ সালে সকল দলের সমর্থনে সর্বসম্মতভাবে পাস হয়েছে। এই বক্তব্যের মাধ্যমে কংগ্রেস নায়ডুর অভিযোগ খারিজ করেছে, যেখানে তিনি বলেছিলেন যে বিরোধী দল এই বিলটি আটকে রেখেছে।
এর আগে, নায়ডু কংগ্রেস এবং তাদের সহযোগীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছিলেন যে তারা নারীদের ক্ষমতায়নের একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপকে আটকে রেখেছে। তিনি এটিকে রাজনৈতিক বাধা হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং বলেছেন যে এটি সেই কোটি কোটি নারীর প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা, যারা সংসদে সমান প্রতিনিধিত্বের অধিকারী।
তবে কংগ্রেস এই বিষয়টিকে परिसীমন দিকে মোড় দিয়ে বলেছে যে, তারা ‘দেশের ভবিষ্যতের’ জন্য ডিলিমিটেশন বিলের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। বিরোধী দলের বিশ্বাস, যদি परिसীমন জনসংখ্যার ভিত্তিতে হয়, তবে দক্ষিণ ভারতীয় রাজ্যগুলির (অন্ধ্র প্রদেশ, তেলেঙ্গানা এবং কেরল) রাজনৈতিক শক্তি কমে যেতে পারে।
যেখানে একদিকে মহিলা आरक्षण সংশোধন বিলকে নারীদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর জন্য একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ বলা হচ্ছে, সেখানে এর প্রক্রিয়াকে জনগণনা এবং परिसীমন সঙ্গে যুক্ত করার কারণে রাজনৈতিক জটিলতা বাড়ছে।
নায়ডুর বক্তব্যকে শাসক জোটের অবস্থানের সঙ্গে যুক্ত করা হচ্ছে, যখন কংগ্রেস এই বিতর্ককে ফেডারেল ভারসাম্য এবং আঞ্চলিক সমতা বিষয়ক যুক্ত করার চেষ্টা করছে।
দুই পক্ষের মধ্যে ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ এবং ‘প্রতিনিধিত্ব’ বিষয়ক চলমান এই বাকযুদ্ধ এখন একটি বড় জাতীয় আলোচনার রূপ নিচ্ছে, যা শুধুমাত্র নারী অধিকার পর্যন্ত সীমাবদ্ধ নয়, বরং দেশের রাজনৈতিক শক্তির ভারসাম্যের সঙ্গেও সম্পর্কিত।














Leave a Reply