Bengal Daily Kiran

Latest Bengal News – Breaking News Today, Live News, World

‘উন্নত দিল্লি’ এর জন্য মাস্টার প্ল্যান ও টেকসই উন্নয়ন নিয়ে ডিডিএর সঙ্গে এলজি টি এস সান্ধুর বৈঠক

‘উন্নত দিল্লি’ এর জন্য মাস্টার প্ল্যান ও টেকসই উন্নয়ন নিয়ে ডিডিএর সঙ্গে এলজি টি এস সান্ধুর বৈঠক

নতুন দিল্লি, জুলাই ৩: দিল্লির উপরাজ্যপাল টি এস সান্ধু শুক্রবার দিল্লি উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (ডিডিএ) এর পরামর্শক পরিষদের বৈঠক পরিচালনা করেন। বৈঠকে আগামী মাস্টার প্ল্যান এবং টেকসই শহুরে উন্নয়নের অগ্রগতির পর্যালোচনা করা হয়।

উপরাজ্যপাল সান্ধু জাতীয় রাজধানীর পরিবর্তিত শহুরে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য প্রযুক্তি ভিত্তিক সমাধানের উপর গুরুত্ব দেন।

তিনি এক্স-এ পোস্ট করে জানান যে, ডিডিএ’র এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে সিনিয়র কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাংসদ রামবীর সিং বিধূড়ী এবং সুদাংশু ত্রিবেদীও উপস্থিত ছিলেন।

অবৈধ নির্মাণের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণের কথা উল্লেখ করে সান্ধু লেখেন, “ডিডিএ’কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যে অবৈধ দখল এবং অননুমোদিত নির্মাণের বিরুদ্ধে শূন্য সহিষ্ণুতা নীতি গ্রহণ করতে হবে। এর জন্য জমি এবং ভবনের রিয়েল-টাইম নজরদারির জন্য প্রযুক্তির ব্যবহার করা হবে, যাতে এসব বিষয় দ্রুত চিহ্নিত করে ত্বরিত ব্যবস্থা নেওয়া যায়।”

তিনি বলেন, “আমি পুনরায় উল্লেখ করেছি যে দিল্লির পরিবর্তিত শহুরে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য সহযোগী, স্বচ্ছ এবং প্রযুক্তি ভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আমরা একটি টেকসই, শক্তিশালী এবং বাসযোগ্য ‘উন্নত দিল্লি’ গড়ে তোলার জন্য আমাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছি।”

উপরাজ্যপাল এক্স-এ লেখেন, “আমি ডিডিএ’র পরামর্শক পরিষদের বৈঠক পরিচালনা করেছি। এ সময় সাংসদ রামবীর সিং বিধূড়ী এবং সুদাংশু ত্রিবেদীও উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকে জাতীয় রাজধানীতে টেকসই শহুরে উন্নয়নের রূপরেখা পর্যালোচনা করা হয়।”

তিনি জানান, বৈঠকে দিল্লির আগামী মাস্টার প্ল্যান, নাগরিক ও প্রতিষ্ঠানগত কাঠামোকে শক্তিশালী করা এবং শহরের পরিকল্পিত, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত উন্নয়ন নিশ্চিত করার বিষয়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার, উপরাজ্যপাল ওমান থেকে আসা ছাত্রদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার তথ্য শেয়ার করেছিলেন।

তিনি বলেন, “ওমান থেকে আসা প্রতিভাবান ছাত্রদের একটি দলের সঙ্গে কথা বলে আনন্দিত হয়েছি। এই ছাত্ররা আইআইটি গান্ধীনগর দ্বারা আয়োজিত ‘শাস্ত্র প্রতিভা প্রতিযোগিতা’র বিজয়ী। তাদের বৈজ্ঞানিক কৌতূহল, শেখার ইচ্ছা এবং অনুসন্ধানী চিন্তায় আমি উৎসাহিত হয়েছি।”

সান্ধু বলেন, “যুব প্রজন্মে বৈজ্ঞানিক চিন্তা ও বিশ্লেষণাত্মক ক্ষমতার বিকাশ গবেষণা, উদ্ভাবন এবং ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত সমাজের শক্তিশালী ভিত্তি গড়ে তোলার জন্য অত্যন্ত জরুরি। আমি বিজ্ঞান ভারতীর সেই প্রচেষ্টার প্রশংসা করি, যা নতুন প্রজন্মের উদ্ভাবকদের অনুপ্রাণিত করার পাশাপাশি তাদের ভারতীয় বৈজ্ঞানিক ঐতিহ্যের সঙ্গে যুক্ত করছে। সকল বিজয়ীদের তাদের শিক্ষাগত ও বৈজ্ঞানিক ভবিষ্যতের জন্য শুভকামনা।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *