
নয়ডা, মার্চ ৩: এনসিআর-এ চন্দ্রগ্রহণের প্রভাব ধর্মীয় আস্থা ও প্রথার মাধ্যমে স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে। চন্দ্রগ্রহণের ঠিক নয় ঘণ্টা আগে সূতক কাল শুরু হওয়ার সাথে সাথে এলাকার প্রধান মন্দিরগুলো দর্শনার্থীদের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
প্রথা অনুযায়ী, সূতক কালকে অশুভ মনে করা হয়। তাই এই সময়ে মন্দিরে নিয়মিত পূজা-অর্চনা এবং ধর্মীয় অনুষ্ঠান স্থগিত করা হয়।
মন্দির পরিচালনা কমিটির তথ্য অনুযায়ী, সকাল ৬টা ২০ মিনিটে মন্ত্রোচ্চারণের মাধ্যমে মন্দিরের দরজা বন্ধ করা হয়। এই সময় মন্দিরে উপস্থিত দর্শনার্থীদের বিনীতভাবে অনুরোধ করা হয় যে তারা সূতক কাল সম্পর্কিত ধর্মীয় আস্থার প্রতি সম্মান জানিয়ে বাড়িতে ভজন-কীর্তন ও পূজা করুন। অনেক স্থানে মঙ্গলবার সকালে আরতি নির্ধারিত সময়ের আগে সম্পন্ন করা হয়, এরপর মন্দির প্রাঙ্গণ সম্পূর্ণভাবে খালি করে দেওয়া হয়।
ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, চন্দ্রগ্রহণের সময় পরিবেশে নেতিবাচক শক্তির প্রভাব বাড়ে, তাই দেবদেবীর মূর্তিগুলো বিশেষভাবে ঢেকে দেওয়া হয় এবং পূজা সামগ্রী নিরাপদ স্থানে রাখা হয়। সূতক কাল চলাকালীন মন্দিরে কোনো ধর্মীয় কার্যক্রম করা হয় না।
মন্দির পরিচালনা কমিটি জানিয়েছে, চন্দ্রগ্রহণ শেষ হওয়ার পর সন্ধ্যা ৭টায় মন্দিরের দরজা আবার খোলা হবে। এরপর মন্দির প্রাঙ্গণের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা করা হবে। শুদ্ধিকরণ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে গঙ্গাজল ছিটানো, ধূপ-দীপ প্রজ্বলন এবং বিশেষ মন্ত্রোচ্চারণ করা হবে। এরপর বিশেষ পূজা-অর্চনা ও আরতির আয়োজন করা হবে, যেখানে দর্শনার্থীরা অংশ নিতে পারবেন।
প্রশাসন ও মন্দির কমিটি দর্শনার্থীদের অনুরোধ করেছে যে তারা চন্দ্রগ্রহণ ও সূতক সম্পর্কিত প্রথার প্রতি সম্মান জানিয়ে ভিড় এড়িয়ে নির্ধারিত সময়ের পরে মন্দিরে আসুন। এনসিআর-এর বিভিন্ন অঞ্চলে চন্দ্রগ্রহণ নিয়ে আস্থা ও উৎসাহের পরিবেশ তৈরি হয়েছে।











Leave a Reply