
নতুন দিল্লি, আগস্ট ২০: নীতি কমিশন বুধবার ‘টিবি: আগের পথ’ বিষয়ক একটি উচ্চ পর্যায়ের আলোচনা সেশনের আয়োজন করে। এর উদ্দেশ্য ছিল ‘টিবি-মুক্ত ভারত’ লক্ষ্য অর্জনের জন্য কৌশল এবং পরামর্শ তৈরি করা।
নীতি কমিশনের অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘এক্স’-এ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এই সেশনের সভাপতিত্ব করেন নীতি কমিশনের সদস্য প্রফেসর এম. শ্রীনিবাস, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব পুন্যা সালিলা শ্রীবাস্তব এবং স্বাস্থ্য গবেষণা বিভাগের সচিব ও আইসিএমআর-এর মহাপরিচালক ড. রাজীব বাহল।
সেশনে ন্যাশনাল হেলথ মিশনের অতিরিক্ত সচিব ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক আরাধনা পাটনায়ক জাতীয় টিবি প্রোগ্রামের বর্তমান অবস্থা এবং অগ্রগতির বিস্তারিত বিবরণ উপস্থাপন করেন। এছাড়াও, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কেন্দ্রীয় টিবি বিভাগের তথ্য আলোচনা পরিচালনায় সহায়ক হয়।
এমস নতুন দিল্লির ড. উর্বশী বি. সিং এই সেশনের সমন্বয় করেন। এতে দেশব্যাপী স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, গবেষক এবং নীতি নির্ধারকরা অংশ নেন। আলোচনা চলাকালীন স্ক্রিনিং, ডায়াগনস্টিকস, চিকিৎসা, প্রতিরোধ, পুষ্টি, সামাজিক সুরক্ষা এবং প্রযুক্তি এই সাতটি প্রধান ক্ষেত্রে গভীর আলোচনা হয়।
বিশেষজ্ঞরা প্রাথমিক পর্যায়ে টিবির সনাক্তকরণের জন্য স্ক্রিনিং বাড়ানোর, নতুন এবং সঠিক ডায়াগনস্টিক টুল গ্রহণের এবং চিকিৎসার প্রক্রিয়া সহজ করার উপর গুরুত্ব দেন। পাশাপাশি রোগীদের পুষ্টি সহায়তা, সামাজিক বৈষম্য রোধ এবং সরকারি পরিকল্পনাগুলির সুবিধা সরাসরি রোগীদের কাছে পৌঁছানোর বিষয়েও আলোচনা হয়।
সেশনে ডিজিটাল নজরদারি, ডেটা অ্যানালিটিক্স এবং এআই ভিত্তিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে টিবির মামলাগুলি ট্র্যাক করার বিষয়েও আলোচনা হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রযুক্তির সাহায্যে রোগীদের ওষুধের নিয়মিততা এবং ফলোআপ উন্নত করা সম্ভব। প্রতিরোধের জন্য সচেতনতা প্রচার, ভিড়ের এলাকায় পরীক্ষা এবং উচ্চ ঝুঁকির গোষ্ঠীর প্রতি বিশেষ মনোযোগ দেওয়ার প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।
নীতি কমিশনের এই আলোচনা সেশনের মূল উদ্দেশ্য টিবি নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচিকে আরও ত্বরান্বিত করা। সেশনে প্রাপ্ত পরামর্শগুলি সংগ্রহ করে কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারের সঙ্গে ভাগ করা হবে, যাতে নীতিতে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করা যায়।











Leave a Reply