Bengal Daily Kiran

Latest Bengal News – Breaking News Today, Live News, World

সঙ্গীত থেরাপি: মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য একটি উপকারিতা

সঙ্গীত থেরাপি: মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য একটি উপকারিতা

নতুন দিল্লি, মার্চ ৮: আজকের দ্রুতগতির বিশ্বে, অনিয়মিত রুটিন এবং বাড়তি কাজের চাপ বিভিন্ন শারীরিক এবং মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। চাপ, উদ্বেগ, বিরক্তি, দুঃখ এবং আতঙ্ক এখন সাধারণ মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে, সঙ্গীত থেরাপি এই সমস্যাগুলি কমাতে কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে।

সঙ্গীত মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য একটি সহজ, বিনামূল্যে এবং অত্যন্ত কার্যকর প্রতিকার। দীর্ঘ একটি দিন কাটানোর পর, শান্ত এবং হালকা সঙ্গীত শোনা মনের এবং আত্মার জন্য গভীর শিথিলতা প্রদান করতে পারে। জাতীয় স্বাস্থ্য মিশন (এনএইচএম) নিজেকে সময় দেওয়ার এবং প্রিয় গানগুলো ব্যবহার করে মানসিক চাপ কমানোর পরামর্শ দেয়।

এনএইচএম-এর মতে, সঙ্গীত শোনা বা বাজানো কর্টিসল স্তর (চাপের হরমোন) কমায় এবং ডোপামিন ও সেরোটোনিনের মতো সুখের হরমোন বাড়ায়। এর ফলে মেজাজে তাত্ক্ষণিক উন্নতি ঘটে এবং উদ্বেগ ও বিষণ্ণতা কমে যায়। সঙ্গীত দুঃখ বা আনন্দের মতো অনুভূতিগুলি প্রকাশের জন্য একটি সহজ মাধ্যম হয়ে ওঠে, যা ব্যক্তিদের তাদের অনুভূতি প্রকাশ করতে সাহায্য করে।

সঙ্গীত থেরাপি মানসিক শান্তি, স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি, ঘুমের মান উন্নত এবং জীবনে সুখ বাড়াতে সহায়তা করে। সঙ্গীত থেরাপির সুবিধাগুলোর মধ্যে মানসিক চাপ এবং উদ্বেগ কমানো, মেজাজের উন্নতি এবং ইতিবাচক চিন্তাভাবনা বৃদ্ধি অন্তর্ভুক্ত। এটি একটি শান্ত মনের বজায় রাখতে, নেতিবাচক চিন্তাভাবনা কমাতে এবং গভীর ও সহজ ঘুমে সহায়তা করে, পাশাপাশি আবেগের ভারসাম্য এবং আত্মবিশ্বাস বাড়ায়।

বিশেষজ্ঞরা প্রতিদিন কিছু সময় হালকা সঙ্গীত শোনার জন্য উৎসাহিত করেন, যেমন ক্লাসিক্যাল, যন্ত্রবাদ্য, ভক্তিমূলক গান অথবা ব্যক্তিগত প্রিয় গান। এটি একটি জটিল থেরাপি নয় বরং একটি অভ্যাস যা মনের শান্তি বজায় রাখে। যদি চাপের স্তর বেশি হয়, তবে সঙ্গীত থেরাপির বিশেষজ্ঞের সাহায্য নেওয়া উচিত। তবে, সঙ্গীত কম ভলিউমে শোনার এবং সম্ভব হলে হেডফোন ও ইয়ারফোন ব্যবহার এড়ানোর পরামর্শ দেওয়া হয়।

“ডিসক্লেইমার: এই সংবাদটি সরাসরি সংস্থার থেকে এসেছে; আমাদের দল কোনো সম্পাদনা করেনি।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *